রবিবার, ২৬ মে ২০২৪, ১২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

কুষ্টিয়ায় বৃষ্টির আশায় ‘ইসতিসকার’ নামাজ আদায়

কুষ্টিয়ার কুমারখালীতে তীব্র দাবদাহ থেকে রক্ষা পেতে এবং বৃষ্টির প্রত্যাশা করে ‘ইস্তিসকার’ নামাজ আদায় করেছেন স্থানীয়রা। নামাজ শেষে অনুষ্ঠিত হয়েছে বিশেষ মোনাজাত।

সোমবার (২২ এপ্রিল) সকালে উপজেলার যদুবয়রা ইউনিয়নের বল্লভপুর গ্রামের খড়িলার বিলে খোলা আকাশের নিচে এ আয়োজন করা হয়। এতে ইউনিয়নের বল্লভপুর, রসুলপুর, ভবানীপুর, জোতমোড়া ও বরইচারা গ্রামের প্রায় দুই শতাধিক মানুষ অংশ নেন।

নামাজ ও মোনাজাত পরিচালনা করেন রসুলপুর মাদরাসার শিক্ষক মুফতি নাসির উদ্দিন আল ফরিদী। আগামী মঙ্গলবার ও বুধবার একই স্থানে সকাল ৮টায় বৃষ্টির জন্য নামাজ অনুষ্ঠিত হবে বলেও জানান আয়োজকরা।

স্থানীয়রা জানান, ওই এলাকায় প্রায় একমাস ধরে বৃষ্টির দেখা নেই। নদী- নালা, পুকুর শুকিয়ে গেছে। পানির স্তর নেমে যাওয়ায় পানি উঠছে না অগভীর নলকূপ ও সেচ পাম্পেও। তীব্র তাপপ্রবাহে জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে উঠছে। মাঠে রোদে পুড়ে কৃষকের ফসল নষ্ট হচ্ছে। শ্রমজীবী মানুষ রোদে বেশিক্ষণ কাজ করতে পারছেন না। এমন পরিস্থিতিতে তারা বৃষ্টির জন্য সৃষ্টিকর্তার কাছে প্রার্থনার আয়োজন করেছেন। নামাজে সবাইকে অংশ নেয়ার জন্য আগে থেকেই মাইকে প্রচার করা হয়েছিল।

কুমারখালী আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগেরর কর্মকর্তা মামুনুর রশিদ জানান, সকালে তাপমাত্রা থাকে ৩৩ থেকে ৩৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। তবে বিকেল ৩টার দিকে তা বেড়ে ৩৯ থেকে ৪১ ডিগ্রি পর্যন্ত উঠে যায়। আপাতত বৃষ্টির কোনো সম্ভাবনা নেই বলেও জানান তিনি।

কালের চিঠি / আলিফ

Tag :

কুষ্টিয়ায় বৃষ্টির আশায় ‘ইসতিসকার’ নামাজ আদায়

Update Time : ০৬:২৫:১৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ২২ এপ্রিল ২০২৪

কুষ্টিয়ার কুমারখালীতে তীব্র দাবদাহ থেকে রক্ষা পেতে এবং বৃষ্টির প্রত্যাশা করে ‘ইস্তিসকার’ নামাজ আদায় করেছেন স্থানীয়রা। নামাজ শেষে অনুষ্ঠিত হয়েছে বিশেষ মোনাজাত।

সোমবার (২২ এপ্রিল) সকালে উপজেলার যদুবয়রা ইউনিয়নের বল্লভপুর গ্রামের খড়িলার বিলে খোলা আকাশের নিচে এ আয়োজন করা হয়। এতে ইউনিয়নের বল্লভপুর, রসুলপুর, ভবানীপুর, জোতমোড়া ও বরইচারা গ্রামের প্রায় দুই শতাধিক মানুষ অংশ নেন।

নামাজ ও মোনাজাত পরিচালনা করেন রসুলপুর মাদরাসার শিক্ষক মুফতি নাসির উদ্দিন আল ফরিদী। আগামী মঙ্গলবার ও বুধবার একই স্থানে সকাল ৮টায় বৃষ্টির জন্য নামাজ অনুষ্ঠিত হবে বলেও জানান আয়োজকরা।

স্থানীয়রা জানান, ওই এলাকায় প্রায় একমাস ধরে বৃষ্টির দেখা নেই। নদী- নালা, পুকুর শুকিয়ে গেছে। পানির স্তর নেমে যাওয়ায় পানি উঠছে না অগভীর নলকূপ ও সেচ পাম্পেও। তীব্র তাপপ্রবাহে জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে উঠছে। মাঠে রোদে পুড়ে কৃষকের ফসল নষ্ট হচ্ছে। শ্রমজীবী মানুষ রোদে বেশিক্ষণ কাজ করতে পারছেন না। এমন পরিস্থিতিতে তারা বৃষ্টির জন্য সৃষ্টিকর্তার কাছে প্রার্থনার আয়োজন করেছেন। নামাজে সবাইকে অংশ নেয়ার জন্য আগে থেকেই মাইকে প্রচার করা হয়েছিল।

কুমারখালী আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগেরর কর্মকর্তা মামুনুর রশিদ জানান, সকালে তাপমাত্রা থাকে ৩৩ থেকে ৩৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। তবে বিকেল ৩টার দিকে তা বেড়ে ৩৯ থেকে ৪১ ডিগ্রি পর্যন্ত উঠে যায়। আপাতত বৃষ্টির কোনো সম্ভাবনা নেই বলেও জানান তিনি।

কালের চিঠি / আলিফ