শুক্রবার, ১২ জুলাই ২০২৪, ২৮ আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

নিষিদ্ধ হলেন বিশ্বকাপজয়ী মার্টিনেজ ।

অ্যাস্টন ভিলাকে উয়েফা ইউরোপা কনফারেন্স লিগের সেমিফাইনালে তুলতে দারুণ ভূমিকা ছিল আর্জেন্টাইন গোলরক্ষক এমিলিয়ানো মার্টিনেজের। লিলের বিপক্ষে কোয়ার্টার ফাইনালে দুটি পেনাল্টি ঠেকিয়ে দলকে জেতান এই বিশ্বকাপজয়ী গোলরক্ষক। তবে সেমিফাইনালের আগে বড় দুঃসংবাদ পেলেন এই ৩১ বছর বয়সী তারকা

অ্যাস্টন ভিলা সেমিফাইনালে উঠলেও আগামী ২ মে অলিম্পিয়াকোসের বিপক্ষে প্রথম লেগের ম্যাচটিতে খেলতে পারবেন না মার্টিনেজ। কনফারেন্স লিগের কোয়ার্টার ফাইনালের দুই লেগ মিলিয়ে তিনটি হলুদ কার্ড দেখেছেন তিনি। যার ফলে এই গোলরক্ষককে এক ম্যাচের জন্য নিষিদ্ধ করেছে উয়েফা।

ওই ম্যাচে লিলের সমর্থকরা শুরু থেকেই মার্টিনেজকে দুয়োধ্বনি দিচ্ছিলেন। সেটার জবাব তিনি দিয়েছেন লিলের হয়ে প্রথম পেনাল্টি নিতে আসা নেবিলের শট ঠেকিয়ে। এ সময় লিলের সমর্থকদের উদ্দেশে করে তিনি চুপ থাকার ইশারা করেন। তার ব্যঙ্গমূলক আচরণে বিরক্ত হয়ে একটা সময় হলুদ কার্ড দেখান ম্যাচ রেফারি। এর আগে, নির্ধারিত সময়ের খেলায় কালক্ষেপণ করে প্রথম হলুদ কার্ড দেখেন তিনি।

তবে, দুটি হলুদ কার্ড দেখেও মাঠ ছেড়ে যেতে হয়নি তাকে। কারণ উয়েফার নিয়ম অনুযায়ী, নির্ধারিত সময়ের খেলা আর টাইব্রেকারের কার্ড আলাদাভাবে গণ্য করা হয়। ফলে লিলের খেলোয়াড়রা আবেদন করেও লাভ হয়নি। পরবর্তীতে পেনাল্টিতে ফরাসি সমর্থকদের একবারে চুপ করিয়ে দেন তিনি। আর তাতে ৪-৩ ব্যবধানে জিতে ইউরোপা কনফারেন্স লিগের সেমিফাইনাল নিশ্চিত করে ইংলিশ ক্লাবটি।

কালের চিঠি/ ফাহিম

Tag :

বালু ব্যবসায়ীর মিথ্যা মামলায় সাংবাদিক কারাগারে

নিষিদ্ধ হলেন বিশ্বকাপজয়ী মার্টিনেজ ।

Update Time : ০৫:৩৫:৫০ অপরাহ্ন, শনিবার, ২০ এপ্রিল ২০২৪

অ্যাস্টন ভিলাকে উয়েফা ইউরোপা কনফারেন্স লিগের সেমিফাইনালে তুলতে দারুণ ভূমিকা ছিল আর্জেন্টাইন গোলরক্ষক এমিলিয়ানো মার্টিনেজের। লিলের বিপক্ষে কোয়ার্টার ফাইনালে দুটি পেনাল্টি ঠেকিয়ে দলকে জেতান এই বিশ্বকাপজয়ী গোলরক্ষক। তবে সেমিফাইনালের আগে বড় দুঃসংবাদ পেলেন এই ৩১ বছর বয়সী তারকা

অ্যাস্টন ভিলা সেমিফাইনালে উঠলেও আগামী ২ মে অলিম্পিয়াকোসের বিপক্ষে প্রথম লেগের ম্যাচটিতে খেলতে পারবেন না মার্টিনেজ। কনফারেন্স লিগের কোয়ার্টার ফাইনালের দুই লেগ মিলিয়ে তিনটি হলুদ কার্ড দেখেছেন তিনি। যার ফলে এই গোলরক্ষককে এক ম্যাচের জন্য নিষিদ্ধ করেছে উয়েফা।

ওই ম্যাচে লিলের সমর্থকরা শুরু থেকেই মার্টিনেজকে দুয়োধ্বনি দিচ্ছিলেন। সেটার জবাব তিনি দিয়েছেন লিলের হয়ে প্রথম পেনাল্টি নিতে আসা নেবিলের শট ঠেকিয়ে। এ সময় লিলের সমর্থকদের উদ্দেশে করে তিনি চুপ থাকার ইশারা করেন। তার ব্যঙ্গমূলক আচরণে বিরক্ত হয়ে একটা সময় হলুদ কার্ড দেখান ম্যাচ রেফারি। এর আগে, নির্ধারিত সময়ের খেলায় কালক্ষেপণ করে প্রথম হলুদ কার্ড দেখেন তিনি।

তবে, দুটি হলুদ কার্ড দেখেও মাঠ ছেড়ে যেতে হয়নি তাকে। কারণ উয়েফার নিয়ম অনুযায়ী, নির্ধারিত সময়ের খেলা আর টাইব্রেকারের কার্ড আলাদাভাবে গণ্য করা হয়। ফলে লিলের খেলোয়াড়রা আবেদন করেও লাভ হয়নি। পরবর্তীতে পেনাল্টিতে ফরাসি সমর্থকদের একবারে চুপ করিয়ে দেন তিনি। আর তাতে ৪-৩ ব্যবধানে জিতে ইউরোপা কনফারেন্স লিগের সেমিফাইনাল নিশ্চিত করে ইংলিশ ক্লাবটি।

কালের চিঠি/ ফাহিম