সোমবার, ১৭ জুন ২০২৪, ৩ আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

ফরিদপুরে সড়ক দুর্ঘটনায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে ১৪

ফরিদপুরের কানাইপুরে মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত অবস্থায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে (ঢামেক) নেয়ার পথে আরও একজনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে মৃতের সংখ্যা দাঁড়ালো ১৪ জনে। নিহত ১৪ জনের মধ্যে একই পরিবারের ৪ সদস্য রয়েছেন।

নিহতরা হলেন মিলন মোল্লা, তার স্ত্রী সুমি বেগম এবং তাদের দুই ছেলে রুহান ও সিনান, ইকবাল, মর্জিনা বেগম, নজরুল ইসলাম, জাহানারা বেগম, সোনিয়া বেগম, কুহিনূর বেগম, সুর্য বেগম, সুকুরুন্নেসা, তবিবুর খান ও শিশু নুরারী।

মঙ্গলবার (১৬ এপ্রিল) দুপুর পৌনে ১২টার দিকে ১১ জনের মরদেহ স্বজনদের কাছে ফিরিয়ে দিয়েছে প্রশাসন। বিষয়টি নিশ্চিত করে হাইওয়ে পুলিশের পুলিশ সুপার শাহিনুল আলম জানান, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে অতিরিক্ত গতি ও চালকদের ক্লান্তির কারণে এ দুর্ঘটনা ঘটেছে। প্রথমে ১৩ জনের মৃত্যু হলেও পরে ঢাকা মেডিকেলে নেয়ার পথে একজনের মৃত্যু হয়।

সকাল ৮টার দিকে ফরিদপুর-যশোর মহাসড়কে এ দুর্ঘটনা ঘটে। ইউনিক পরিবহনের বাস ও পিকআপের মধ্যে এ সংঘর্ষ হয়। দুর্ঘটনার শিকার বাসটি ঢাকা থেকে ঝিনাইদহের দিকে যাচ্ছিল। আর পিকআপ ভ্যানটি আলফাডাঙ্গা উপজেলা থেকে ফরিদপুরের দিকে যাচ্ছিল। নিহত সবাই পিকআপ ভ্যানের যাত্রী। দুর্ঘটনায় ঘটনাস্থলেই ১১ জনের মৃত্যু হয়। পরে গুরুতর আহত অবস্থায় ৪ জনকে স্থানীয় হাসপাতালে নেয়া হলে তাদের মধ্যে দুই জনের মৃত্যু হয়। পরবর্তীতে আরও একজনকে ঢামেকে নেয়ার পথে মৃত্যু হয়।

কালের চিঠি / আলিফ

Tag :

ফরিদপুরে সড়ক দুর্ঘটনায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে ১৪

Update Time : ০৫:০৩:২৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৪

ফরিদপুরের কানাইপুরে মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত অবস্থায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে (ঢামেক) নেয়ার পথে আরও একজনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে মৃতের সংখ্যা দাঁড়ালো ১৪ জনে। নিহত ১৪ জনের মধ্যে একই পরিবারের ৪ সদস্য রয়েছেন।

নিহতরা হলেন মিলন মোল্লা, তার স্ত্রী সুমি বেগম এবং তাদের দুই ছেলে রুহান ও সিনান, ইকবাল, মর্জিনা বেগম, নজরুল ইসলাম, জাহানারা বেগম, সোনিয়া বেগম, কুহিনূর বেগম, সুর্য বেগম, সুকুরুন্নেসা, তবিবুর খান ও শিশু নুরারী।

মঙ্গলবার (১৬ এপ্রিল) দুপুর পৌনে ১২টার দিকে ১১ জনের মরদেহ স্বজনদের কাছে ফিরিয়ে দিয়েছে প্রশাসন। বিষয়টি নিশ্চিত করে হাইওয়ে পুলিশের পুলিশ সুপার শাহিনুল আলম জানান, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে অতিরিক্ত গতি ও চালকদের ক্লান্তির কারণে এ দুর্ঘটনা ঘটেছে। প্রথমে ১৩ জনের মৃত্যু হলেও পরে ঢাকা মেডিকেলে নেয়ার পথে একজনের মৃত্যু হয়।

সকাল ৮টার দিকে ফরিদপুর-যশোর মহাসড়কে এ দুর্ঘটনা ঘটে। ইউনিক পরিবহনের বাস ও পিকআপের মধ্যে এ সংঘর্ষ হয়। দুর্ঘটনার শিকার বাসটি ঢাকা থেকে ঝিনাইদহের দিকে যাচ্ছিল। আর পিকআপ ভ্যানটি আলফাডাঙ্গা উপজেলা থেকে ফরিদপুরের দিকে যাচ্ছিল। নিহত সবাই পিকআপ ভ্যানের যাত্রী। দুর্ঘটনায় ঘটনাস্থলেই ১১ জনের মৃত্যু হয়। পরে গুরুতর আহত অবস্থায় ৪ জনকে স্থানীয় হাসপাতালে নেয়া হলে তাদের মধ্যে দুই জনের মৃত্যু হয়। পরবর্তীতে আরও একজনকে ঢামেকে নেয়ার পথে মৃত্যু হয়।

কালের চিঠি / আলিফ