মঙ্গলবার, ২১ মে ২০২৪, ৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

মুরগিপ্রতি ৩ টাকা খাজনা দাবি, ব্যবসায়ীদের ধর্মঘট

প্রতি মুরগিতে তিন টাকা খাজনা দাবি করায় ধর্মঘটে নেমেছে দিনাজপুরের বাহাদুর বাজারের মুরগি ব্যবসায়ীরা। ঈদের ঠিক পরেই ধর্মঘটের কারণে ক্রেতারাও পড়েছে চরম বিপাকে। বাজারটি দিনাজপুর পৌরসভার অধিন্যস্ত হওয়ায় তারাই ইজারা দিয়ে থাকে।

রবিবার (১৪ এপ্রিল) রাতে দোকানদারদের জানিয়ে দেযয়া হয় প্রতি মুরগিতে তিন টাকা করে খাজনা দিতে হবে। পাইকারদের কাছ থেকে মুরগি কিনে দোকানে আনলেই এই খাজনা দিতে হবে বলে বাধ্যতামূলক নিয়ম চালু করার কথাও জানায় তারা। এর ফলে একজন দোকানদার ১০০ মুরগি বিক্রি করলেই তাকে গুনতে হবে ৩২৫ টাকা খাজনা। এভাবে খাজনা দিতে হলে বেড়ে যাবে মুরগির দাম।

ব্যবসায়ীদের মতে ইজারার বিধি মোতাবেক নির্ধারিত হারের খাজনা আদায় করার কথা। কিন্তু ইজারাদার যখন তখন তাদের ইচ্ছা মতো খাজনা আদায় করে আসছিল। সর্বশেষ তারা প্রতিটি দোকান থেকে প্রতিদিন ২৫ টাকা করে খাজনা আদায় করে আসছিল বলে জানা যায়।

উল্লেখ্য, ব্যবসায়ীরা বিষয়টির সুরাহা না হওয়া পর্যন্ত ধর্মঘট চালিয়ে যাওয়ায় কথা জানায়। এবিষয়ে দিনাজপুর পৌরসভার ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হয়। তিনি বলেন, বাহাদুর বাজারে কোনো নিয়ন্ত্রণ নেই।

কালের চিঠি / আলিফ

Tag :

মুরগিপ্রতি ৩ টাকা খাজনা দাবি, ব্যবসায়ীদের ধর্মঘট

Update Time : ০১:২৫:৪৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৫ এপ্রিল ২০২৪

প্রতি মুরগিতে তিন টাকা খাজনা দাবি করায় ধর্মঘটে নেমেছে দিনাজপুরের বাহাদুর বাজারের মুরগি ব্যবসায়ীরা। ঈদের ঠিক পরেই ধর্মঘটের কারণে ক্রেতারাও পড়েছে চরম বিপাকে। বাজারটি দিনাজপুর পৌরসভার অধিন্যস্ত হওয়ায় তারাই ইজারা দিয়ে থাকে।

রবিবার (১৪ এপ্রিল) রাতে দোকানদারদের জানিয়ে দেযয়া হয় প্রতি মুরগিতে তিন টাকা করে খাজনা দিতে হবে। পাইকারদের কাছ থেকে মুরগি কিনে দোকানে আনলেই এই খাজনা দিতে হবে বলে বাধ্যতামূলক নিয়ম চালু করার কথাও জানায় তারা। এর ফলে একজন দোকানদার ১০০ মুরগি বিক্রি করলেই তাকে গুনতে হবে ৩২৫ টাকা খাজনা। এভাবে খাজনা দিতে হলে বেড়ে যাবে মুরগির দাম।

ব্যবসায়ীদের মতে ইজারার বিধি মোতাবেক নির্ধারিত হারের খাজনা আদায় করার কথা। কিন্তু ইজারাদার যখন তখন তাদের ইচ্ছা মতো খাজনা আদায় করে আসছিল। সর্বশেষ তারা প্রতিটি দোকান থেকে প্রতিদিন ২৫ টাকা করে খাজনা আদায় করে আসছিল বলে জানা যায়।

উল্লেখ্য, ব্যবসায়ীরা বিষয়টির সুরাহা না হওয়া পর্যন্ত ধর্মঘট চালিয়ে যাওয়ায় কথা জানায়। এবিষয়ে দিনাজপুর পৌরসভার ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হয়। তিনি বলেন, বাহাদুর বাজারে কোনো নিয়ন্ত্রণ নেই।

কালের চিঠি / আলিফ