রবিবার, ২১ জুলাই ২০২৪, ৬ শ্রাবণ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

নির্দেশনা উপেক্ষা করে পহেলা বৈশাখে উদীচীর অনুষ্ঠান দুঃখজনক: তথ্য প্রতিমন্ত্রী

জননিরাপত্তার স্বার্থে সরকারের জারি করা নির্দেশনা উপেক্ষা করে পহেলা বৈশাখে উদীচীর অনুষ্ঠান করা ও নেতিবাচক বিবৃতি দেয়া অনাকাঙ্ক্ষিত ও দুঃখজনক বলে মন্তব্য করেছেন তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ এ আরাফাত।

সোমবার (১৫ এপ্রিল) দুপুরে সচিবালয়ে এ মন্তব্য করেন তিনি। আরও বললেন, সরকারের নির্দেশনা ছিল পহেলা বৈশাখে সন্ধ্যা ৬টার মধ্যে সব অনুষ্ঠান শেষ করতে হবে। এ সিদ্ধান্ত উপেক্ষা করে পহেলা বৈশাখে সন্ধ্যা ৬টার পর উদীচীর অনুষ্ঠান করেছে এবং এ বিষয়ে বিবৃতি দিয়েছে। তাদের এই আচরণে সরকার খুবই ব্যথিত ও মর্মাহত।

উদীচীর অনুষ্ঠানে কোনো দুর্ঘটনা ঘটলে এর দায়-দায়িত্ব কে নিতো এমন প্রশ্ন রেখে তথ্য প্রতিমন্ত্রী বলেন, যারা নির্দেশনা না মেনে অনুষ্ঠান করবেন, তাদেরকেই সেই দায়-দায়িত্ব নিতে হবে।

তিনি আরও বলেন, পহেলা বৈশাখে রমনা বটমূলে এবং যশোরের উদীচীর অনুষ্ঠানে বোমা হামলায় অনেক মানুষ প্রাণ হারিয়েছে এবং অনেকে পঙ্গু হয়েছে। হলি আর্টিজান, শোলাকিয়া ময়দান ও সিলেটে ঈদের জামাতের জঙ্গি হামলা প্রতিরোধ করতে গিয়ে পুলিশের কয়েকজন সদস্য জীবন উৎসর্গ করেছেন এবং জনগণের জীবন বাঁচিয়েছেন। প্রতিটি অনুষ্ঠানে সরকার জনগণের জানমালের নিরাপত্তা দিতে সবসময় সতর্ক থাকায় নিকট অতীতে বাংলাদেশে কোনো জঙ্গি হামলা বা সন্ত্রাসের ঘটনা ঘটতে পারেনি। এই বিষয়ে সরকার সবার সহযোগিতা কামনা করে।

 

কালের চিঠি / আলিফ

Tag :
Popular Post

কোটা বিরোধী আন্দোলনে ঢাকায় ২ শিক্ষার্থী নিহত

নির্দেশনা উপেক্ষা করে পহেলা বৈশাখে উদীচীর অনুষ্ঠান দুঃখজনক: তথ্য প্রতিমন্ত্রী

Update Time : ০৪:০৯:৫৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৫ এপ্রিল ২০২৪

জননিরাপত্তার স্বার্থে সরকারের জারি করা নির্দেশনা উপেক্ষা করে পহেলা বৈশাখে উদীচীর অনুষ্ঠান করা ও নেতিবাচক বিবৃতি দেয়া অনাকাঙ্ক্ষিত ও দুঃখজনক বলে মন্তব্য করেছেন তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ এ আরাফাত।

সোমবার (১৫ এপ্রিল) দুপুরে সচিবালয়ে এ মন্তব্য করেন তিনি। আরও বললেন, সরকারের নির্দেশনা ছিল পহেলা বৈশাখে সন্ধ্যা ৬টার মধ্যে সব অনুষ্ঠান শেষ করতে হবে। এ সিদ্ধান্ত উপেক্ষা করে পহেলা বৈশাখে সন্ধ্যা ৬টার পর উদীচীর অনুষ্ঠান করেছে এবং এ বিষয়ে বিবৃতি দিয়েছে। তাদের এই আচরণে সরকার খুবই ব্যথিত ও মর্মাহত।

উদীচীর অনুষ্ঠানে কোনো দুর্ঘটনা ঘটলে এর দায়-দায়িত্ব কে নিতো এমন প্রশ্ন রেখে তথ্য প্রতিমন্ত্রী বলেন, যারা নির্দেশনা না মেনে অনুষ্ঠান করবেন, তাদেরকেই সেই দায়-দায়িত্ব নিতে হবে।

তিনি আরও বলেন, পহেলা বৈশাখে রমনা বটমূলে এবং যশোরের উদীচীর অনুষ্ঠানে বোমা হামলায় অনেক মানুষ প্রাণ হারিয়েছে এবং অনেকে পঙ্গু হয়েছে। হলি আর্টিজান, শোলাকিয়া ময়দান ও সিলেটে ঈদের জামাতের জঙ্গি হামলা প্রতিরোধ করতে গিয়ে পুলিশের কয়েকজন সদস্য জীবন উৎসর্গ করেছেন এবং জনগণের জীবন বাঁচিয়েছেন। প্রতিটি অনুষ্ঠানে সরকার জনগণের জানমালের নিরাপত্তা দিতে সবসময় সতর্ক থাকায় নিকট অতীতে বাংলাদেশে কোনো জঙ্গি হামলা বা সন্ত্রাসের ঘটনা ঘটতে পারেনি। এই বিষয়ে সরকার সবার সহযোগিতা কামনা করে।

 

কালের চিঠি / আলিফ