শনিবার, ২৫ মে ২০২৪, ১০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

আমার কাছে বাংলা নববর্ষটা একটু অন্য রকম : নুসরত জাহান ।

প্রতিবছরই বাংলা নববর্ষের প্রথম দিনটি একেবারে ঘরোয়াভাবে বাড়ির লোকজনের সঙ্গে আনন্দে মেতে কাটাতে চান টলিউডের অন্যতম জনপ্রিয় নায়িকা নুসরত জাহান। সেই সঙ্গে অবশ্যই সবার সঙ্গে জমিয়ে খানাপিনা। কিন্তু ১৪৩১-এর প্রথম দিনটি এবারে একটু ব্যস্ততার সঙ্গে কাটছে নুসরত জাহানের। তবে ব্যস্ততা থাকলে কী হবে, এর ফাঁকেই নানা প্রোগ্রাম, বন্ধুদের সঙ্গে আড্ডা আর আর অবশ্যই খাওয়া-দাওয়া মিস করতে চান না তিনি। সব মিলিয়ে বছরের শুরুটা এবারেও দারুণভাবে কাটাতে চলেছেন এই টলিউড অভি নেত্রী ।

পয়লা বৈশাখ মানে যে নস্টালজিক কিছু ভাবনার গহিনে হারিয়ে যাওয়া, এ কথা স্বীকার করে নিয়ে সংবাদমাধ্যমের কাছে নুসরত বললেন, ‘বাংলা বছরের শুরুর দিনটা আর পাঁচটা দিনের থেকে আমার কাছে বরাবরই একটু অন্য রকম।’ তিনি বলেন, ‘ছোটবেলায় এই দিন এলে নতুন জামা-কাপড় পরতাম। আর নতুন পোশাক পরে বড়দের কাছে আশীর্বাদ নিতেও ভুলতাম না। আসলে খাঁটি বাঙালি পরিবারের মেয়ে হিসেবে বাংলা নববর্ষটা বরাবরই একটু অন্য রকম আমার কাছে। এখন কাজের হাজার চাপ থাকলেও চেষ্টা করি, একচিলতে সময় বের করে পয়লা বৈশাখের দিন বাড়ি গিয়ে মা ও গুরুজনদের প্রণাম করে আসতে।

আর পয়লা বৈশাখ মানেই নুসরতের কাছে দেদার খাওয়া-দাওয়া। বরাবরই খেতে এবং খাওয়াতে ভীষণ ভালোবাসেন নুসরত জাহান। ভালো রাঁধুনি হিসেবে ইন্ডাস্ট্রিতে যথেষ্ট সুনামও রয়েছে তাঁর। নিজের খাবার নিজেই রান্না করে খেতে বেশি পছন্দ করেন। আর খাবারের ক্ষেত্রে বাঙালি খাবারের প্রতি দুর্বলতা তাঁর সব সময়ই। নিজে চান পয়লা বৈশাখেও বাঙালি খাবার খেতে। বছরের অন্যান্য দিনে সচরাচর ভাত আর মাছের ঝোল খেতে পছন্দ করেন নুসরত। তবে তাঁর মতে, সবাই মিলে ডাল-ভাত খাওয়ার মজাটাই নাকি আলাদা।

কলকাতায় থাকলে নিজে রান্না করে কিংবা মায়ের রান্না করা খাবার খেলেও বাইরে গেলে সেখানকার খাবার অন্তত একবার হলেও পরখ করে দেখতে ছাড়েন না নুসরত। আর খাওয়া-দাওয়ার ক্ষেত্রে মিষ্টি খাওয়ার প্রতি নাকি তাঁর দুর্বলতা চিরকালীন। এমন ঘটনাও ঘটেছে, নুসরত নাকি মাঝরাতে ঘুম থেকে উঠে ফ্রিজ খুলে হাতড়ে হাতড়ে মিষ্টি বের করে খান। অবশ্য এসব কথা নিজেই স্বীকার করে নিয়েছেন নুসরত। তাঁর কথা, ‘আমার মিষ্টি খাওয়া কেউ আটকাতে পারবে না। তবে শুটিং চলাকালীন একটু বুঝেশুনে মিষ্টি খাই। ডায়েটটা কন্ট্রোল করার চেষ্টা করি।

কলকাতায় থাকলে নিজে রান্না করে কিংবা মায়ের রান্না করা খাবার খেলেও বাইরে গেলে সেখানকার খাবার অন্তত একবার হলেও পরখ করে দেখতে ছাড়েন না নুসরত। আর খাওয়া-দাওয়ার ক্ষেত্রে মিষ্টি খাওয়ার প্রতি নাকি তাঁর দুর্বলতা চিরকালীন। এমন ঘটনাও ঘটেছে, নুসরত নাকি মাঝরাতে ঘুম থেকে উঠে ফ্রিজ খুলে হাতড়ে হাতড়ে মিষ্টি বের করে খান। অবশ্য এসব কথা নিজেই স্বীকার করে নিয়েছেন নুসরত। তাঁর কথা, ‘আমার মিষ্টি খাওয়া কেউ আটকাতে পারবে না। তবে শুটিং চলাকালীন একটু বুঝেশুনে মিষ্টি খাই। ডায়েটটা কন্ট্রোল করার চেষ্টা করি।

তবে বেহিসাবি এমন খাওয়া সত্ত্বেও ফিগার ধরে রাখতে জিমে যাওয়ার পক্ষপাতীও কিন্তু নন তিনি। সাফ কথা বললেন, ‘অনেকেই আমাকে জিমে পাঠানোর চেষ্টা করেছে। কিন্তু কেউ সফল হয়নি।’ তাই পয়লা বৈশাখেও ফিটনেস-টিটনেস নিয়ে ভাবতে মোটেই রাজি নন নুসরত জাহান। পয়লা বৈশাখে দিনভর নানা ব্যস্ততার মধ্যেও বন্ধুদের সঙ্গে চলবে দেদার আড্ডাবাজি আর সেই সঙ্গে অবশ্যই জমিয়ে খাওয়া-দাওয়া।

কালের চিঠি/ ফাহিম

Tag :

আমার কাছে বাংলা নববর্ষটা একটু অন্য রকম : নুসরত জাহান ।

Update Time : ০৪:৪২:২০ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৪ এপ্রিল ২০২৪

প্রতিবছরই বাংলা নববর্ষের প্রথম দিনটি একেবারে ঘরোয়াভাবে বাড়ির লোকজনের সঙ্গে আনন্দে মেতে কাটাতে চান টলিউডের অন্যতম জনপ্রিয় নায়িকা নুসরত জাহান। সেই সঙ্গে অবশ্যই সবার সঙ্গে জমিয়ে খানাপিনা। কিন্তু ১৪৩১-এর প্রথম দিনটি এবারে একটু ব্যস্ততার সঙ্গে কাটছে নুসরত জাহানের। তবে ব্যস্ততা থাকলে কী হবে, এর ফাঁকেই নানা প্রোগ্রাম, বন্ধুদের সঙ্গে আড্ডা আর আর অবশ্যই খাওয়া-দাওয়া মিস করতে চান না তিনি। সব মিলিয়ে বছরের শুরুটা এবারেও দারুণভাবে কাটাতে চলেছেন এই টলিউড অভি নেত্রী ।

পয়লা বৈশাখ মানে যে নস্টালজিক কিছু ভাবনার গহিনে হারিয়ে যাওয়া, এ কথা স্বীকার করে নিয়ে সংবাদমাধ্যমের কাছে নুসরত বললেন, ‘বাংলা বছরের শুরুর দিনটা আর পাঁচটা দিনের থেকে আমার কাছে বরাবরই একটু অন্য রকম।’ তিনি বলেন, ‘ছোটবেলায় এই দিন এলে নতুন জামা-কাপড় পরতাম। আর নতুন পোশাক পরে বড়দের কাছে আশীর্বাদ নিতেও ভুলতাম না। আসলে খাঁটি বাঙালি পরিবারের মেয়ে হিসেবে বাংলা নববর্ষটা বরাবরই একটু অন্য রকম আমার কাছে। এখন কাজের হাজার চাপ থাকলেও চেষ্টা করি, একচিলতে সময় বের করে পয়লা বৈশাখের দিন বাড়ি গিয়ে মা ও গুরুজনদের প্রণাম করে আসতে।

আর পয়লা বৈশাখ মানেই নুসরতের কাছে দেদার খাওয়া-দাওয়া। বরাবরই খেতে এবং খাওয়াতে ভীষণ ভালোবাসেন নুসরত জাহান। ভালো রাঁধুনি হিসেবে ইন্ডাস্ট্রিতে যথেষ্ট সুনামও রয়েছে তাঁর। নিজের খাবার নিজেই রান্না করে খেতে বেশি পছন্দ করেন। আর খাবারের ক্ষেত্রে বাঙালি খাবারের প্রতি দুর্বলতা তাঁর সব সময়ই। নিজে চান পয়লা বৈশাখেও বাঙালি খাবার খেতে। বছরের অন্যান্য দিনে সচরাচর ভাত আর মাছের ঝোল খেতে পছন্দ করেন নুসরত। তবে তাঁর মতে, সবাই মিলে ডাল-ভাত খাওয়ার মজাটাই নাকি আলাদা।

কলকাতায় থাকলে নিজে রান্না করে কিংবা মায়ের রান্না করা খাবার খেলেও বাইরে গেলে সেখানকার খাবার অন্তত একবার হলেও পরখ করে দেখতে ছাড়েন না নুসরত। আর খাওয়া-দাওয়ার ক্ষেত্রে মিষ্টি খাওয়ার প্রতি নাকি তাঁর দুর্বলতা চিরকালীন। এমন ঘটনাও ঘটেছে, নুসরত নাকি মাঝরাতে ঘুম থেকে উঠে ফ্রিজ খুলে হাতড়ে হাতড়ে মিষ্টি বের করে খান। অবশ্য এসব কথা নিজেই স্বীকার করে নিয়েছেন নুসরত। তাঁর কথা, ‘আমার মিষ্টি খাওয়া কেউ আটকাতে পারবে না। তবে শুটিং চলাকালীন একটু বুঝেশুনে মিষ্টি খাই। ডায়েটটা কন্ট্রোল করার চেষ্টা করি।

কলকাতায় থাকলে নিজে রান্না করে কিংবা মায়ের রান্না করা খাবার খেলেও বাইরে গেলে সেখানকার খাবার অন্তত একবার হলেও পরখ করে দেখতে ছাড়েন না নুসরত। আর খাওয়া-দাওয়ার ক্ষেত্রে মিষ্টি খাওয়ার প্রতি নাকি তাঁর দুর্বলতা চিরকালীন। এমন ঘটনাও ঘটেছে, নুসরত নাকি মাঝরাতে ঘুম থেকে উঠে ফ্রিজ খুলে হাতড়ে হাতড়ে মিষ্টি বের করে খান। অবশ্য এসব কথা নিজেই স্বীকার করে নিয়েছেন নুসরত। তাঁর কথা, ‘আমার মিষ্টি খাওয়া কেউ আটকাতে পারবে না। তবে শুটিং চলাকালীন একটু বুঝেশুনে মিষ্টি খাই। ডায়েটটা কন্ট্রোল করার চেষ্টা করি।

তবে বেহিসাবি এমন খাওয়া সত্ত্বেও ফিগার ধরে রাখতে জিমে যাওয়ার পক্ষপাতীও কিন্তু নন তিনি। সাফ কথা বললেন, ‘অনেকেই আমাকে জিমে পাঠানোর চেষ্টা করেছে। কিন্তু কেউ সফল হয়নি।’ তাই পয়লা বৈশাখেও ফিটনেস-টিটনেস নিয়ে ভাবতে মোটেই রাজি নন নুসরত জাহান। পয়লা বৈশাখে দিনভর নানা ব্যস্ততার মধ্যেও বন্ধুদের সঙ্গে চলবে দেদার আড্ডাবাজি আর সেই সঙ্গে অবশ্যই জমিয়ে খাওয়া-দাওয়া।

কালের চিঠি/ ফাহিম