সোমবার, ২৭ মে ২০২৪, ১২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

ঘুমন্ত অবস্থায় আগুনে পুড়ে শিশুর মৃত্যু, গুরুতর দগ্ধ মা-বাবা

বরগুনার আমতলী উপজেলার উত্তর তারিকাটা গ্রামের একটি বাড়িতে গভীর রাতে আগুন লেগে ঘুমন্ত অবস্থায় হাবিবা নামে এক কন্যা শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় শিশুটির মা রানী বেগম ও বাবা হানিফ হাওলাদারকে উদ্ধার করে প্রথমে আমতলী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ও পরে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১১ এপ্রিল) দিবাগত গভীর রাতে এ ঘটনা ঘটে। জানা গেছে, হানিফের রান্নাঘর থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়। মুহূর্তের মধ্যেই আগুন শোয়ার ঘরে ছড়িয়ে পড়ে। হানিফ হাওলাদার, তার স্ত্রী রানী বেগম ও শিশু হাবিবা ঘরে ঘুমিয়ে ছিলেন। ঘুমের মধ্যেই পুড়ে ছাই হয়ে যায় শিশু হাবিবা। পরে হানিফ ঘর থেকে বের হয়ে গেলেও তার স্ত্রী আর বের হতে পারেননি।

পরে গুরুতর দগ্ধ অবস্থায় রানী বেগমকে উদ্ধার করে আমতলী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসা হয়। অবস্থার অবনতি হওয়ায় চিকিৎসক তাদের উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।

এ বিষয়ে আমতলী ফায়ার সার্ভিসের ওয়্যারহাউজ ইন্সপেক্টর মো. হানিফ জানান, রান্নাঘরের চুলা থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়ে বসত ঘর পুড়ে গেছে। ওই ঘরে থাকা ঘুমন্ত শিশু পুড়ে কয়লা হয়ে গেছে। মা-বাবাকে দগ্ধ অবস্থায় উদ্ধার করে আমতলী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসার জন্য ভর্তি করা হয়েছে বলেও জানান তিনি।

আমতলী উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. চিন্ময় হাওলাদার মুঠোফোনে বলেন, আগুনে দগ্ধ মা রানী বেগমের শরীরের ৯০ শতাংশ পুড়ে গেছে বলেও জানান তিনি।

কালের চিঠি/ আলিফ

Tag :

শ্রেণিকক্ষে যৌন হয়রানির অভিযোগ, ২ শিক্ষককে বরখাস্তের দাবিতে বিদ্যালয়ে তালা

ঘুমন্ত অবস্থায় আগুনে পুড়ে শিশুর মৃত্যু, গুরুতর দগ্ধ মা-বাবা

Update Time : ০৩:৪১:৩২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১২ এপ্রিল ২০২৪

বরগুনার আমতলী উপজেলার উত্তর তারিকাটা গ্রামের একটি বাড়িতে গভীর রাতে আগুন লেগে ঘুমন্ত অবস্থায় হাবিবা নামে এক কন্যা শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় শিশুটির মা রানী বেগম ও বাবা হানিফ হাওলাদারকে উদ্ধার করে প্রথমে আমতলী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ও পরে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১১ এপ্রিল) দিবাগত গভীর রাতে এ ঘটনা ঘটে। জানা গেছে, হানিফের রান্নাঘর থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়। মুহূর্তের মধ্যেই আগুন শোয়ার ঘরে ছড়িয়ে পড়ে। হানিফ হাওলাদার, তার স্ত্রী রানী বেগম ও শিশু হাবিবা ঘরে ঘুমিয়ে ছিলেন। ঘুমের মধ্যেই পুড়ে ছাই হয়ে যায় শিশু হাবিবা। পরে হানিফ ঘর থেকে বের হয়ে গেলেও তার স্ত্রী আর বের হতে পারেননি।

পরে গুরুতর দগ্ধ অবস্থায় রানী বেগমকে উদ্ধার করে আমতলী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসা হয়। অবস্থার অবনতি হওয়ায় চিকিৎসক তাদের উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।

এ বিষয়ে আমতলী ফায়ার সার্ভিসের ওয়্যারহাউজ ইন্সপেক্টর মো. হানিফ জানান, রান্নাঘরের চুলা থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়ে বসত ঘর পুড়ে গেছে। ওই ঘরে থাকা ঘুমন্ত শিশু পুড়ে কয়লা হয়ে গেছে। মা-বাবাকে দগ্ধ অবস্থায় উদ্ধার করে আমতলী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসার জন্য ভর্তি করা হয়েছে বলেও জানান তিনি।

আমতলী উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. চিন্ময় হাওলাদার মুঠোফোনে বলেন, আগুনে দগ্ধ মা রানী বেগমের শরীরের ৯০ শতাংশ পুড়ে গেছে বলেও জানান তিনি।

কালের চিঠি/ আলিফ