সোমবার, ১৭ জুন ২০২৪, ৩ আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

গাইবান্ধায় সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে ঈদ উদযাপন

সৌদি আরবসহ মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর সঙ্গে মিল রেখে গাইবান্ধার পলাশবাড়ী উপজেলায় পবিত্র ঈদুল ফিতর উদযাপন করা হয়েছে। এলাকায় একদিন আগে ঈদ উদযাপন করায় স্থানীয়দের মাঝে আলোচনা-সমালোচনার মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে।

বুধবার (১০ এপ্রিল) সকাল সাড়ে ৮টার দিকে জেলার সহিহ্ হাদিস সম্প্রদায়ের মুসল্লিরা উপজেলার মনোহরপুর ইউনিয়নের তালুক ঘোড়াবান্দা গ্রামের মধ্যপাড়া আহলে হাদিস নতুন জামে মসজিদের ভেতরে এই ঈদের নামাজ আদায় করেন। ঈদের নামাজে ইমামতি ও খুতবা পাঠ করেন হাফেজ মশিউর রহমান।

সকাল থেকেই জেলার সদর উপজেলার ফলিমারি, দুর্গাপুর, বালুয়া, পীরগাছা, হরিনসিংহা, শ্যামপুর, সুন্দরগঞ্জ উপজেলার রাজিবপুর গ্রামসহ বিভিন্ন এলাকা থেকে হেঁটে, বাইসাইকেল, মোটরসাইকেলসহ নানা যানবাহনযোগে তালুক ঘোড়াবান্ধা মধ্যপাড়ায় জড়ো হতে থাকে।

ঈদের জামাতে জেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে আসা দেড় শতাধিক মুসল্লি এতে অংশ নেন। নামাজ শেষে মুসল্লিরা যথা নিয়মে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করে একে অপরকে জড়িয়ে ধরে কোলাকুলি করেন।

 

নামাজে আসা সুন্দরগঞ্জ উপজেলার দক্ষিণ রাজিবপুর গ্রামের সাইদুল বলেন, সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে ঈদের নামাজ পড়তেই আজ সকালে এখানে এসেছি। সবাই মিলে ঈদুল ফিতর আদায় করলাম। এভাবেই আট বছর ধরে ঈদ করে আসছি।

 

কালের চিঠি / আলিফ

Tag :

গাইবান্ধায় সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে ঈদ উদযাপন

Update Time : ১০:৩৩:২৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১০ এপ্রিল ২০২৪

সৌদি আরবসহ মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর সঙ্গে মিল রেখে গাইবান্ধার পলাশবাড়ী উপজেলায় পবিত্র ঈদুল ফিতর উদযাপন করা হয়েছে। এলাকায় একদিন আগে ঈদ উদযাপন করায় স্থানীয়দের মাঝে আলোচনা-সমালোচনার মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে।

বুধবার (১০ এপ্রিল) সকাল সাড়ে ৮টার দিকে জেলার সহিহ্ হাদিস সম্প্রদায়ের মুসল্লিরা উপজেলার মনোহরপুর ইউনিয়নের তালুক ঘোড়াবান্দা গ্রামের মধ্যপাড়া আহলে হাদিস নতুন জামে মসজিদের ভেতরে এই ঈদের নামাজ আদায় করেন। ঈদের নামাজে ইমামতি ও খুতবা পাঠ করেন হাফেজ মশিউর রহমান।

সকাল থেকেই জেলার সদর উপজেলার ফলিমারি, দুর্গাপুর, বালুয়া, পীরগাছা, হরিনসিংহা, শ্যামপুর, সুন্দরগঞ্জ উপজেলার রাজিবপুর গ্রামসহ বিভিন্ন এলাকা থেকে হেঁটে, বাইসাইকেল, মোটরসাইকেলসহ নানা যানবাহনযোগে তালুক ঘোড়াবান্ধা মধ্যপাড়ায় জড়ো হতে থাকে।

ঈদের জামাতে জেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে আসা দেড় শতাধিক মুসল্লি এতে অংশ নেন। নামাজ শেষে মুসল্লিরা যথা নিয়মে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করে একে অপরকে জড়িয়ে ধরে কোলাকুলি করেন।

 

নামাজে আসা সুন্দরগঞ্জ উপজেলার দক্ষিণ রাজিবপুর গ্রামের সাইদুল বলেন, সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে ঈদের নামাজ পড়তেই আজ সকালে এখানে এসেছি। সবাই মিলে ঈদুল ফিতর আদায় করলাম। এভাবেই আট বছর ধরে ঈদ করে আসছি।

 

কালের চিঠি / আলিফ