মঙ্গলবার, ২১ মে ২০২৪, ৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

শেষ মুহূর্তে মার্কেট-শপিংমলে উপচেপড়া ভিড় ।

দরজায় কড়া নাড়ছে ঈদুল ফিতর। ঈদের আগে শেষ মুহূর্তে রাজধানীর ছোট-বড় মার্কেট ও শপিংমলগুলোতে চলছে জমজমাট বেচাকেনা।

সোমবার (৮ এপ্রিল) বিকেলে রাজধানীর নিউমার্কেট, গাউছিয়া মার্কেট, চাঁদনি চক মার্কেট, ধানমন্ডি হকার্স মার্কেট, বসুন্ধরা সিটি শপিংমল, মৌচাক মার্কেটে ক্রেতাদের উপচে পড়া ভিড় লক্ষ্য করা যায়। সবচেয়ে বেশি ভিড় লক্ষ্য করা গেছে নিউমার্কেটের মূল অংশের ভেতরে।

সরেজমিনে দেখা যায়, অনেকেই পরিবার পরিজন নিয়ে ঈদের কেনাকাটা করতে এসেছেন। বিভিন্ন মার্কেটে ঘুরে ঘুরে ক্রেতারা পছন্দের জামা-কাপড়, পাঞ্জাবি-পায়জামা, শার্ট-প্যান্ট, জুতা, শাড়ি, থ্রিপিস, বাচ্চাদের কাপড় কিনছেন। বেশি ভিড় লক্ষ্য করা গেছে, নারীদের শাড়ি, থ্রিপিসসহ বিভিন্ন পোশাক, জুতা ও প্রসাধনী সামগ্রীর দোকানগুলোতে।

মিরপুর থেকে ঈদের কেনাকাটা করতে আসা আব্দুস সালাম বলেন, অফিস খোলা থাকার কারণে এতদিন কেনাকাটা করতে পারিনি। এখন স্ত্রীকে সঙ্গে নিয়ে নিউমার্কেট এসেছি। পাঞ্জাবি আর শাড়ি কিনব। বেশ কয়েকটি দোকান ঘুরে দেখছি।

আগামী দুইদিন আরো বেশি ক্রেতার উপস্থিতি হবে বলে আশা করছেন ব্যবসায়ীরা।

নিউমার্কেট ব্যবসায়ী গ্রুপের সভাপতি ডা. দেওয়ার আমিনুল ইসলাম শাহিন বলেন, এবছর বিক্রি নিয়ে কেউ হতাশ নয়। কমবেশি সবারই ব্যবসা হয়েছে। আবার ঈদের পরেই পহেলা বৈশাখ। সেজন্য ছোটখাটো কিছু গহনাপত্রও মানুষজন কেনাকাটা করেছে। আশা করছি এখনো যে সময়টুকু রয়েছে আরো ভালো বিক্রি হবে।

এদিকে ঈদ উপলক্ষে মধ্যবিত্তের শেষ ভরসা হয়ে উঠেছে রাজধানীর ফুটপাতের দোকানগুলো। শখ ও সাধ্যের মধ্যে যতটা সম্ভব মিল ঘটাতেই নিম্ন আয়ের ক্রেতাদের প্রথম পছন্দ ফুটপাতের দোকানগুলো।

পান্থপথের ফুটপাতের দোকানের বিক্রেতা জসিম বলেন, যাদের আয়-রোজগার কম তারাই মূলত ফুটপাতের দোকানগুলোতে কেনাকাটা করেন। আমরাও সীমিত লাভে পণ্য বিক্রি করি। কারণ আমরা চাই সবাই আনন্দের সঙ্গে পরিবার-পরিজন নিয়ে ঈদ করুক। ঈদে বিক্রিও ভালো হচ্ছে বলে জানান তিনি।

কালের চিঠি/ ফাহিম

Tag :

শেষ মুহূর্তে মার্কেট-শপিংমলে উপচেপড়া ভিড় ।

Update Time : ০৫:৩১:৩৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ৮ এপ্রিল ২০২৪

দরজায় কড়া নাড়ছে ঈদুল ফিতর। ঈদের আগে শেষ মুহূর্তে রাজধানীর ছোট-বড় মার্কেট ও শপিংমলগুলোতে চলছে জমজমাট বেচাকেনা।

সোমবার (৮ এপ্রিল) বিকেলে রাজধানীর নিউমার্কেট, গাউছিয়া মার্কেট, চাঁদনি চক মার্কেট, ধানমন্ডি হকার্স মার্কেট, বসুন্ধরা সিটি শপিংমল, মৌচাক মার্কেটে ক্রেতাদের উপচে পড়া ভিড় লক্ষ্য করা যায়। সবচেয়ে বেশি ভিড় লক্ষ্য করা গেছে নিউমার্কেটের মূল অংশের ভেতরে।

সরেজমিনে দেখা যায়, অনেকেই পরিবার পরিজন নিয়ে ঈদের কেনাকাটা করতে এসেছেন। বিভিন্ন মার্কেটে ঘুরে ঘুরে ক্রেতারা পছন্দের জামা-কাপড়, পাঞ্জাবি-পায়জামা, শার্ট-প্যান্ট, জুতা, শাড়ি, থ্রিপিস, বাচ্চাদের কাপড় কিনছেন। বেশি ভিড় লক্ষ্য করা গেছে, নারীদের শাড়ি, থ্রিপিসসহ বিভিন্ন পোশাক, জুতা ও প্রসাধনী সামগ্রীর দোকানগুলোতে।

মিরপুর থেকে ঈদের কেনাকাটা করতে আসা আব্দুস সালাম বলেন, অফিস খোলা থাকার কারণে এতদিন কেনাকাটা করতে পারিনি। এখন স্ত্রীকে সঙ্গে নিয়ে নিউমার্কেট এসেছি। পাঞ্জাবি আর শাড়ি কিনব। বেশ কয়েকটি দোকান ঘুরে দেখছি।

আগামী দুইদিন আরো বেশি ক্রেতার উপস্থিতি হবে বলে আশা করছেন ব্যবসায়ীরা।

নিউমার্কেট ব্যবসায়ী গ্রুপের সভাপতি ডা. দেওয়ার আমিনুল ইসলাম শাহিন বলেন, এবছর বিক্রি নিয়ে কেউ হতাশ নয়। কমবেশি সবারই ব্যবসা হয়েছে। আবার ঈদের পরেই পহেলা বৈশাখ। সেজন্য ছোটখাটো কিছু গহনাপত্রও মানুষজন কেনাকাটা করেছে। আশা করছি এখনো যে সময়টুকু রয়েছে আরো ভালো বিক্রি হবে।

এদিকে ঈদ উপলক্ষে মধ্যবিত্তের শেষ ভরসা হয়ে উঠেছে রাজধানীর ফুটপাতের দোকানগুলো। শখ ও সাধ্যের মধ্যে যতটা সম্ভব মিল ঘটাতেই নিম্ন আয়ের ক্রেতাদের প্রথম পছন্দ ফুটপাতের দোকানগুলো।

পান্থপথের ফুটপাতের দোকানের বিক্রেতা জসিম বলেন, যাদের আয়-রোজগার কম তারাই মূলত ফুটপাতের দোকানগুলোতে কেনাকাটা করেন। আমরাও সীমিত লাভে পণ্য বিক্রি করি। কারণ আমরা চাই সবাই আনন্দের সঙ্গে পরিবার-পরিজন নিয়ে ঈদ করুক। ঈদে বিক্রিও ভালো হচ্ছে বলে জানান তিনি।

কালের চিঠি/ ফাহিম