রবিবার, ১৬ জুন ২০২৪, ১ আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

নদীর মাছের দর বেড়েছে, কিছুটা তেজ কমেছে সবজির

রমজানে মাছের বেচাকেনা কম, তারপরও দাম আকাশছোঁয়া। ঈদের আগ মুহূর্তে প্রায় সব নদীর মাছের দর বেড়েছে ২০ শতাংশ। হাত দেয়ার উপায় নেই ইলিশে। সাইজ এক কেজি ছাড়ালেই কম-বেশি আড়াই হাজার টাকা দাম হাঁকছেন ব্যবসায়ীরা।

১ হাজার টাকার নিচে মিলবে না মাঝারি ইলিশ। আকারে একটু বড় হলেই রুই, চিতল ও আঁইড় মাছের কেজি ৬শ’ টাকা ছাড়াচ্ছে। তবে চাষের প্রজাতি হলে সেই দাম নামে অর্ধেকে। সাধারণের মাছ হিসেবে খ্যাত পাঙ্গাস ও তেলাপিয়ার কেজি ওঠানামা করছে ১৩০ থেকে ২০০ টাকার মধ্যে। বিক্রেতারা বলছেন, সরবরাহ কমায় দাম বেড়েছে।

অপরদিকে, সবজির দাম চড়া অবস্থা থেকে খানিকটা কমেছে। ৪০ থেকে ৬০ টাকা কেজিতে মিলছে বেশিরভাগ। বিক্রেতারা বলছেন, বিক্রি অর্ধেকে নামায় দামে এর প্রভাব পড়েছে।

তবে এখনও যৌক্তিক মূল্যে আসেনি। বিশেষ করে লেবুসহ সালাদ জাতীয় সবজির দাম বেশ চড়া। এক হালি ভালো মানের লেবুর জন্য গুণতে হবে ৭০ থেকে ৮০ টাকা।

নৈরাজ্য থামেনি আলুর বাজারে। ভরা মৌসুমেও দাম বৃদ্ধি অব্যাহত আছে। কৃষি বিপণন অধিদফতর প্রতি কেজি আলুর দাম সর্বোচ্চ ২৯ টাকা নির্ধারণ করে দিলেও তা মানছেন না বিক্রেতারা। মানভেদে প্রতি কেজি আলুর জন্য গুণতে হবে ৪০ থেকে ৪৫ টাকা। মূলত দুর্বল তদারকির কারণে কৃষি বিপণন অধিদফতরের বেঁধে দেয়া দরের প্রতিফলন নেই।

কালের চিঠি / আলিফ

Tag :

নদীর মাছের দর বেড়েছে, কিছুটা তেজ কমেছে সবজির

Update Time : ১১:৩৮:১৫ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৯ মার্চ ২০২৪

রমজানে মাছের বেচাকেনা কম, তারপরও দাম আকাশছোঁয়া। ঈদের আগ মুহূর্তে প্রায় সব নদীর মাছের দর বেড়েছে ২০ শতাংশ। হাত দেয়ার উপায় নেই ইলিশে। সাইজ এক কেজি ছাড়ালেই কম-বেশি আড়াই হাজার টাকা দাম হাঁকছেন ব্যবসায়ীরা।

১ হাজার টাকার নিচে মিলবে না মাঝারি ইলিশ। আকারে একটু বড় হলেই রুই, চিতল ও আঁইড় মাছের কেজি ৬শ’ টাকা ছাড়াচ্ছে। তবে চাষের প্রজাতি হলে সেই দাম নামে অর্ধেকে। সাধারণের মাছ হিসেবে খ্যাত পাঙ্গাস ও তেলাপিয়ার কেজি ওঠানামা করছে ১৩০ থেকে ২০০ টাকার মধ্যে। বিক্রেতারা বলছেন, সরবরাহ কমায় দাম বেড়েছে।

অপরদিকে, সবজির দাম চড়া অবস্থা থেকে খানিকটা কমেছে। ৪০ থেকে ৬০ টাকা কেজিতে মিলছে বেশিরভাগ। বিক্রেতারা বলছেন, বিক্রি অর্ধেকে নামায় দামে এর প্রভাব পড়েছে।

তবে এখনও যৌক্তিক মূল্যে আসেনি। বিশেষ করে লেবুসহ সালাদ জাতীয় সবজির দাম বেশ চড়া। এক হালি ভালো মানের লেবুর জন্য গুণতে হবে ৭০ থেকে ৮০ টাকা।

নৈরাজ্য থামেনি আলুর বাজারে। ভরা মৌসুমেও দাম বৃদ্ধি অব্যাহত আছে। কৃষি বিপণন অধিদফতর প্রতি কেজি আলুর দাম সর্বোচ্চ ২৯ টাকা নির্ধারণ করে দিলেও তা মানছেন না বিক্রেতারা। মানভেদে প্রতি কেজি আলুর জন্য গুণতে হবে ৪০ থেকে ৪৫ টাকা। মূলত দুর্বল তদারকির কারণে কৃষি বিপণন অধিদফতরের বেঁধে দেয়া দরের প্রতিফলন নেই।

কালের চিঠি / আলিফ