রবিবার, ১৬ জুন ২০২৪, ১ আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

বাংলাদেশে পূর্ণাঙ্গ ও মুক্ত গণতন্ত্র বাস্তবায়নে কাজ করে যাবে যুক্তরাষ্ট্র: ম্যাথিউ মিলার

বাংলাদেশে অবাধ, পূর্ণাঙ্গ ও মুক্ত গণতন্ত্র বাস্তবায়নে যুক্তরাষ্ট্রের প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে। বিবৃতিতে এমনটি জানিয়েছেন মার্কিন পররাষ্ট্র দফতরের মুখপাত্র ম্যাথিউ মিলার। বাংলাদেশের গণতন্ত্রের বিকাশের বিষয়টি বাইডেন প্রশাসনের সর্বোচ্চ গুরুত্বের তালিকায় রয়েছে বলে জানান তিনি।

বুধবার (২৭ মার্চ) মার্কিন স্টেট ডিপার্টমেন্টের নিয়মিত ব্রিফিংয়ে বাংলাদেশি এক সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন মিলার।

সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্থনি ব্লিঙ্কেন তার বিবৃতিতে গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থাকে শক্তিশালীকরণ এবং মানবাধিকারের প্রচারে তার প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেছেন। এ বিষয়ে এক সাংবাদিক প্রশ্ন করেন, বাংলাদেশে গণতন্ত্র ও আইনের শাসন নেই– এ ব্যাপারে যুক্তরাষ্ট্র কী পদক্ষেপ নেবে?

জবাবে মিলার বলেন, বাংলাদেশ ইস্যুতে সুনির্দিষ্ট কী পদক্ষেপ নেয়া হতে পারে, তা এখনও জানা নেই। বাংলাদেশে গণতন্ত্রের বিকাশের বিষয়টি প্রেসিডেন্ট ও পররাষ্ট্রমন্ত্রীর নীতির সর্বোচ্চ গুরুত্বের তালিকায় রয়েছে। বাংলাদেশ সরকারের সঙ্গে সংলাপের সময় অব্যাহতভাবে এ বিষয়ে স্পষ্টভাবে আমরা কথা বলে যাচ্ছি।

তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশে জাতীয় নির্বাচনের আগে প্রায়ই আমরা এ ইস্যুতে কথা বলেছি। সেখানে একটি সুষ্ঠু নির্বাচন দেখতে চেয়েছিলাম। বাংলাদেশ সরকারের সাথে আলোচনার মাধ্যমে অবাধ, পূর্ণাঙ্গ এবং মুক্ত গণতন্ত্র বাস্তবায়নে যুক্তরাষ্ট্রের প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে।

উল্লেখ্য, গণতান্ত্রিক শাসন জোরদার এবং মানবাধিকার রক্ষায় বাংলাদেশের জনগণের পাশে থাকার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করে স্বাধীনতা দিবসে অ্যান্থনি ব্লিঙ্কেন যে বিবৃতি দিয়েছেন, সেই অবস্থানেরই পুনরাবৃত্তি করেন পররাষ্ট্র দফতরের মুখপাত্র ম্যাথিউ মিলার।

দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর থেকে বেশ কয়েকবার বাংলাদেশের নির্বাচন ও গণতন্ত্র নিয়ে কথা বলেছে মার্কিন পররাষ্ট্র দফতর। এ ছাড়াও নির্বাচন নিয়ে নিজেদের অবস্থান ব্যক্ত করে বিবৃতিও দিয়েছিল যুক্তরাষ্ট্র।

কালের চিঠি / আলিফ

Tag :

বাংলাদেশে পূর্ণাঙ্গ ও মুক্ত গণতন্ত্র বাস্তবায়নে কাজ করে যাবে যুক্তরাষ্ট্র: ম্যাথিউ মিলার

Update Time : ০৯:১১:১৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৮ মার্চ ২০২৪

বাংলাদেশে অবাধ, পূর্ণাঙ্গ ও মুক্ত গণতন্ত্র বাস্তবায়নে যুক্তরাষ্ট্রের প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে। বিবৃতিতে এমনটি জানিয়েছেন মার্কিন পররাষ্ট্র দফতরের মুখপাত্র ম্যাথিউ মিলার। বাংলাদেশের গণতন্ত্রের বিকাশের বিষয়টি বাইডেন প্রশাসনের সর্বোচ্চ গুরুত্বের তালিকায় রয়েছে বলে জানান তিনি।

বুধবার (২৭ মার্চ) মার্কিন স্টেট ডিপার্টমেন্টের নিয়মিত ব্রিফিংয়ে বাংলাদেশি এক সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন মিলার।

সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্থনি ব্লিঙ্কেন তার বিবৃতিতে গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থাকে শক্তিশালীকরণ এবং মানবাধিকারের প্রচারে তার প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেছেন। এ বিষয়ে এক সাংবাদিক প্রশ্ন করেন, বাংলাদেশে গণতন্ত্র ও আইনের শাসন নেই– এ ব্যাপারে যুক্তরাষ্ট্র কী পদক্ষেপ নেবে?

জবাবে মিলার বলেন, বাংলাদেশ ইস্যুতে সুনির্দিষ্ট কী পদক্ষেপ নেয়া হতে পারে, তা এখনও জানা নেই। বাংলাদেশে গণতন্ত্রের বিকাশের বিষয়টি প্রেসিডেন্ট ও পররাষ্ট্রমন্ত্রীর নীতির সর্বোচ্চ গুরুত্বের তালিকায় রয়েছে। বাংলাদেশ সরকারের সঙ্গে সংলাপের সময় অব্যাহতভাবে এ বিষয়ে স্পষ্টভাবে আমরা কথা বলে যাচ্ছি।

তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশে জাতীয় নির্বাচনের আগে প্রায়ই আমরা এ ইস্যুতে কথা বলেছি। সেখানে একটি সুষ্ঠু নির্বাচন দেখতে চেয়েছিলাম। বাংলাদেশ সরকারের সাথে আলোচনার মাধ্যমে অবাধ, পূর্ণাঙ্গ এবং মুক্ত গণতন্ত্র বাস্তবায়নে যুক্তরাষ্ট্রের প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে।

উল্লেখ্য, গণতান্ত্রিক শাসন জোরদার এবং মানবাধিকার রক্ষায় বাংলাদেশের জনগণের পাশে থাকার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করে স্বাধীনতা দিবসে অ্যান্থনি ব্লিঙ্কেন যে বিবৃতি দিয়েছেন, সেই অবস্থানেরই পুনরাবৃত্তি করেন পররাষ্ট্র দফতরের মুখপাত্র ম্যাথিউ মিলার।

দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর থেকে বেশ কয়েকবার বাংলাদেশের নির্বাচন ও গণতন্ত্র নিয়ে কথা বলেছে মার্কিন পররাষ্ট্র দফতর। এ ছাড়াও নির্বাচন নিয়ে নিজেদের অবস্থান ব্যক্ত করে বিবৃতিও দিয়েছিল যুক্তরাষ্ট্র।

কালের চিঠি / আলিফ