শনিবার, ২৫ মে ২০২৪, ১০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

জাহাজসহ ২৩ নাবিক ফিরে পেতে কোন পথে এগোচ্ছে কবির গ্রুপ

ভারত মহাসাগরে জলদস্যুদের কবলে পড়া বাংলাদেশের পতাকাবাহী ‘এমভি আবদুল্লাহ’ নামের জাহাজটি দেশের অন্যতম শিল্পগোষ্ঠী কবির গ্রুপের সহযোগী প্রতিষ্ঠান এস আর শিপিং লিমিটেডের মালিকানাধীন। ইতোমধ্যে জাহাজটি সোমালিয়া উপকূলে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। জিম্মি জাহাজের ২৩ নাবিকের পরিচয় জানা গেছে। বাঁচার আকুতি জানিয়ে গোপন অডিও বার্তা দিয়েছেন তাদের কেউ কেউ।

এর আগে ২০১০ সালের ৫ ডিসেম্বর ভারত মহাসাগরেই জলদস্যুদের কবলে পড়েছিল একই কোম্পানির এমভি জাহানমণি নামের একটি জাহাজ। ওই জাহাজের ২৬ জনকে জিম্মি করা হয়েছিল। ১০০ দিনের আন্তরিক প্রচেষ্টার পর তাদের মুক্ত করতে সফল হয় চট্টগ্রামভিত্তিক প্রতিষ্ঠানটি। এবারও পূর্বের সেই অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে আরও দ্রুততম সময়ে ২৩ নাবিকসহ জাহাজ মুক্ত কারার পরিকল্পনা নিয়েছে শিল্পগোষ্ঠী কবির গ্রুপ।

শিল্পগোষ্ঠীটির মিডিয়া উপদেষ্টা মিজানুল ইসলাম বুধবার (১৩ মার্চ) সংবাদ মাধ্যমকে জানিয়েছেন, ঘটনার পর থেকে প্রথমে নাবিকদের সুরক্ষার বিষয়টি সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে এগোচ্ছে প্রতিষ্ঠানটি। তিনি জানান, জলদস্যুরা নাবিকদের কোনো ক্ষতি করেনি। তারা সুস্থ আছেন। জাহাজে নাবিকদের যাতে কোনো সমস্যা না হয়, সে জন্য আমরা সর্বোচ্চ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি।

 

তিনি আরও বলেন, এটি নিয়ে বিচলিত হওয়ার কিছু নেই। এমন জিম্মির ঘটনা আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ঘটে থাকে। আমাদের অতীতে সফল অভিজ্ঞতা রয়েছে। আমরা আশা করছি, অতীতের অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে নাবিক ও জাহাজটি ফিরিয়ে আনতে পারবো। প্রয়োজনে মধ্যস্থতাকারী সংস্থা ও ব্রিটিশ বীমা কোম্পানির সহায়তা নেয়া হবে।

এদিকে, জাহাজের প্রধান কর্মকর্তা মো. আতিকউল্লাহ খান এক অডিও বার্তায় মঙ্গলবারই জাহাজটির মালিকপক্ষ কবির গ্রুপের কর্মকর্তাদের কাছে জাহাজে কী পরিমাণ খাবার ও পানি আছে এসব তথ্য জানিয়েছেন। জাহাজটি জলদস্যু নিয়ন্ত্রণে নেয়ার পর পরই তাদের এ বার্তা পাঠান তিনি।

কালের চিঠি / আলিফ

Tag :

জাহাজসহ ২৩ নাবিক ফিরে পেতে কোন পথে এগোচ্ছে কবির গ্রুপ

Update Time : ০৪:১৯:৩৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৩ মার্চ ২০২৪

ভারত মহাসাগরে জলদস্যুদের কবলে পড়া বাংলাদেশের পতাকাবাহী ‘এমভি আবদুল্লাহ’ নামের জাহাজটি দেশের অন্যতম শিল্পগোষ্ঠী কবির গ্রুপের সহযোগী প্রতিষ্ঠান এস আর শিপিং লিমিটেডের মালিকানাধীন। ইতোমধ্যে জাহাজটি সোমালিয়া উপকূলে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। জিম্মি জাহাজের ২৩ নাবিকের পরিচয় জানা গেছে। বাঁচার আকুতি জানিয়ে গোপন অডিও বার্তা দিয়েছেন তাদের কেউ কেউ।

এর আগে ২০১০ সালের ৫ ডিসেম্বর ভারত মহাসাগরেই জলদস্যুদের কবলে পড়েছিল একই কোম্পানির এমভি জাহানমণি নামের একটি জাহাজ। ওই জাহাজের ২৬ জনকে জিম্মি করা হয়েছিল। ১০০ দিনের আন্তরিক প্রচেষ্টার পর তাদের মুক্ত করতে সফল হয় চট্টগ্রামভিত্তিক প্রতিষ্ঠানটি। এবারও পূর্বের সেই অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে আরও দ্রুততম সময়ে ২৩ নাবিকসহ জাহাজ মুক্ত কারার পরিকল্পনা নিয়েছে শিল্পগোষ্ঠী কবির গ্রুপ।

শিল্পগোষ্ঠীটির মিডিয়া উপদেষ্টা মিজানুল ইসলাম বুধবার (১৩ মার্চ) সংবাদ মাধ্যমকে জানিয়েছেন, ঘটনার পর থেকে প্রথমে নাবিকদের সুরক্ষার বিষয়টি সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে এগোচ্ছে প্রতিষ্ঠানটি। তিনি জানান, জলদস্যুরা নাবিকদের কোনো ক্ষতি করেনি। তারা সুস্থ আছেন। জাহাজে নাবিকদের যাতে কোনো সমস্যা না হয়, সে জন্য আমরা সর্বোচ্চ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি।

 

তিনি আরও বলেন, এটি নিয়ে বিচলিত হওয়ার কিছু নেই। এমন জিম্মির ঘটনা আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ঘটে থাকে। আমাদের অতীতে সফল অভিজ্ঞতা রয়েছে। আমরা আশা করছি, অতীতের অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে নাবিক ও জাহাজটি ফিরিয়ে আনতে পারবো। প্রয়োজনে মধ্যস্থতাকারী সংস্থা ও ব্রিটিশ বীমা কোম্পানির সহায়তা নেয়া হবে।

এদিকে, জাহাজের প্রধান কর্মকর্তা মো. আতিকউল্লাহ খান এক অডিও বার্তায় মঙ্গলবারই জাহাজটির মালিকপক্ষ কবির গ্রুপের কর্মকর্তাদের কাছে জাহাজে কী পরিমাণ খাবার ও পানি আছে এসব তথ্য জানিয়েছেন। জাহাজটি জলদস্যু নিয়ন্ত্রণে নেয়ার পর পরই তাদের এ বার্তা পাঠান তিনি।

কালের চিঠি / আলিফ