শনিবার, ২৫ মে ২০২৪, ১০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

ঈদযাত্রায় যাত্রীবাহী নৌযানে পণ্য পরিবহনে নিষেধাজ্ঞা।

আসন্ন ঈদ যাত্রাকে নির্বিঘ্ন করতে ঈদের আগে ও পরে ১০ দিন যাত্রীবাহী নৌযানে সব ধরণের পণ্য পরিবহন বন্ধ থাকবে। একই সঙ্গে দেশের অন্য প্রান্ত থেকে সদরঘাটে আসা কোনো যাত্রীবাহী নৌযানে পণ্য পরিবহন করা যাবে না।

বুধবার (১৩ মার্চ) নৌ পরিবহন মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে ঈদ যাত্রায় নৌচলাচল ও যাত্রীদের নিরাপত্তা বিষয়ক অনুষ্ঠিত এক সভায় এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ঈদের আগে পাঁচদিন ও পরে পাঁচদিন রাজধানীর সদরঘাট থেকে যাত্রীবাহী নৌযানে সব ধরণের পণ্য পরিবহন বন্ধ থাকবে।

তবে এ সময়ে বিআইডব্লিউটিএ-কে নির্ধারিত আলাদা ভাড়া দিয়ে মোটরসাইকেল পরিবহন করা যাবে। এই সময় নৌপথে রাতের বেলায় সব ধরনের স্পিডবোট চলাচল বন্ধ থাকবে।

এদিকে, আগামী ৪ এপ্রিল থেকে ১৬ এপ্রিল পর্যন্ত সব ধরনের বালুবাহী বাল্কহেড চলাচল সম্পূর্ণভাবে বন্ধ রাখার নির্দেশনা দেওয়া হয়। তা ছাড়া লঞ্চে যাত্রীদের জাতীয় পরিচয়পত্র দেখে টিকিট দেওয়ার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

এছাড়া ঈদের আগে তিন দিন ও পরে তিন দিন নিত্য প্রয়োজনীয় ও দ্রুত পচনশীল পণ্যবাহী ট্রাক ছাড়া সাধারণ ট্রাক ও কাভার্ড ভ্যান ফেরিতে পারাপার বন্ধ থাকবে। এ সময়ে লঞ্চের স্বাভাবিক চলাচল নিশ্চিত করতে নদীতে মাছ ধরার জাল ফেলা নিষিদ্ধ করা হয়।

কালের চিঠি/শর্মিলী

Tag :

ঈদযাত্রায় যাত্রীবাহী নৌযানে পণ্য পরিবহনে নিষেধাজ্ঞা।

Update Time : ১২:০৬:৫২ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৩ মার্চ ২০২৪

আসন্ন ঈদ যাত্রাকে নির্বিঘ্ন করতে ঈদের আগে ও পরে ১০ দিন যাত্রীবাহী নৌযানে সব ধরণের পণ্য পরিবহন বন্ধ থাকবে। একই সঙ্গে দেশের অন্য প্রান্ত থেকে সদরঘাটে আসা কোনো যাত্রীবাহী নৌযানে পণ্য পরিবহন করা যাবে না।

বুধবার (১৩ মার্চ) নৌ পরিবহন মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে ঈদ যাত্রায় নৌচলাচল ও যাত্রীদের নিরাপত্তা বিষয়ক অনুষ্ঠিত এক সভায় এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ঈদের আগে পাঁচদিন ও পরে পাঁচদিন রাজধানীর সদরঘাট থেকে যাত্রীবাহী নৌযানে সব ধরণের পণ্য পরিবহন বন্ধ থাকবে।

তবে এ সময়ে বিআইডব্লিউটিএ-কে নির্ধারিত আলাদা ভাড়া দিয়ে মোটরসাইকেল পরিবহন করা যাবে। এই সময় নৌপথে রাতের বেলায় সব ধরনের স্পিডবোট চলাচল বন্ধ থাকবে।

এদিকে, আগামী ৪ এপ্রিল থেকে ১৬ এপ্রিল পর্যন্ত সব ধরনের বালুবাহী বাল্কহেড চলাচল সম্পূর্ণভাবে বন্ধ রাখার নির্দেশনা দেওয়া হয়। তা ছাড়া লঞ্চে যাত্রীদের জাতীয় পরিচয়পত্র দেখে টিকিট দেওয়ার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

এছাড়া ঈদের আগে তিন দিন ও পরে তিন দিন নিত্য প্রয়োজনীয় ও দ্রুত পচনশীল পণ্যবাহী ট্রাক ছাড়া সাধারণ ট্রাক ও কাভার্ড ভ্যান ফেরিতে পারাপার বন্ধ থাকবে। এ সময়ে লঞ্চের স্বাভাবিক চলাচল নিশ্চিত করতে নদীতে মাছ ধরার জাল ফেলা নিষিদ্ধ করা হয়।

কালের চিঠি/শর্মিলী