রবিবার, ২৬ মে ২০২৪, ১২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

তুরাগে একই বাসা থেকে নারীর গলাকাটা ও পুরুষের ফাঁস লাগানো মরদেহ উদ্ধার

 

রাজধানীর তুরাগ থানার কামারপাড়া এলাকার একটি বাসা থেকে এক নারীর গলাকাটা মরদেহ এবং এক পুরুষের গলায় ফাঁস দেয়া মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। তুরাগ থানা পুলিশ জানিয়েছে, সোমবার (১১ মার্চ) রাত আটটার দিকে মরদেহ দুটি উদ্ধার করা হয়। তাদের ধারণা, মহিলাকে গলাকেটে হত্যার পর ওই পুরুষ গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন।

 

নিহতরা হলেন, আরিফ হোসেন ও মৌসুমী বেগম। আরিফের গ্রামের বাড়ি চাঁদপুর জেলায় এবং মৌসুমীর ফরিদপুরে।

 

মৌসুমী বেগমের স্বামী জানান, তার স্ত্রী এবং আরিফ হোসেন একে অপরকে ধর্মের ভাই-বোন হিসেবে মানতেন। তাদের একসাথে চলাফেরা ছিল দীর্ঘদিনের। সোমবার দুপুর বারটার দিকে আরিফের সাথে দেখা করতে যানয় মৌসুমী। তবে সন্ধ্যা পর্যন্ত তার কোনো খোঁজ না পেয়ে মৌসুমীর দুই ছেলে আরিফের বাসায় এসে দরজা বন্ধ পান। ধাক্কাধাক্কিতে সাড়া না পেয়ে এক পর্যায়ে পুলিশ ডেকে আনা হয়। দরজা ভেঙে ভেতরে প্রবেশের পর দেখা যায় দু’জনের মরদেহ।

 

তবে মৃত আরিফের ভাই বলছেন ভিন্ন কথা। দাবি করেন, মৌসুমী ও আরিফের মধ্যে অনৈতিক সম্পর্ক ছিল; যা থেকে সরে আসতে দু’জনকেই দীর্ঘদিন ধরে বলে আসছিলেন তারা। এবিষয়ে আরিফের ভাই বলেন, তাদের মধ্যে একটা খারাপ সম্পর্ক হয়ে গিয়েছিল। আমরা অনেকবার বলেছি এই সম্পর্ক রেখো না। ফোনে একবার ওই মেয়েকে বুঝিয়েছি, তোমরা আলাদা হয়ে যাও। এরপর কী হলো জানি না। আজ তো ভাই মৃত।

 

পুলিশ জানিয়েছে, মরদেহ দু’টির ময়নাতদন্ত হবে সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে। প্রাথমিক তদন্তে তাদের মনে হয়েছে, মৌসুমী বেগমকে গলাকেটে হত্যার পর গলায় ফাঁস লাগিয়ে আত্মহত্যা করেন আরিফ হোসেন।

 

তুরাগ থানার পরিদর্শক (তদন্ত) আবু সাঈদ মিয়া বলেন, মরদেহের সুরতহাল প্রতিবেদন করা হয়েছে। ময়নাতদন্তের পর আসল কারণ জানা যাবে।

 

কালের চিঠি / আলিফ

Tag :

সরকার জেনে-বুঝে খালেদা জিয়াকে মৃত্যুর দিতে ঠেলে দিচ্ছে: মির্জা আব্বাস

তুরাগে একই বাসা থেকে নারীর গলাকাটা ও পুরুষের ফাঁস লাগানো মরদেহ উদ্ধার

Update Time : ০৫:০৯:২৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১২ মার্চ ২০২৪

 

রাজধানীর তুরাগ থানার কামারপাড়া এলাকার একটি বাসা থেকে এক নারীর গলাকাটা মরদেহ এবং এক পুরুষের গলায় ফাঁস দেয়া মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। তুরাগ থানা পুলিশ জানিয়েছে, সোমবার (১১ মার্চ) রাত আটটার দিকে মরদেহ দুটি উদ্ধার করা হয়। তাদের ধারণা, মহিলাকে গলাকেটে হত্যার পর ওই পুরুষ গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন।

 

নিহতরা হলেন, আরিফ হোসেন ও মৌসুমী বেগম। আরিফের গ্রামের বাড়ি চাঁদপুর জেলায় এবং মৌসুমীর ফরিদপুরে।

 

মৌসুমী বেগমের স্বামী জানান, তার স্ত্রী এবং আরিফ হোসেন একে অপরকে ধর্মের ভাই-বোন হিসেবে মানতেন। তাদের একসাথে চলাফেরা ছিল দীর্ঘদিনের। সোমবার দুপুর বারটার দিকে আরিফের সাথে দেখা করতে যানয় মৌসুমী। তবে সন্ধ্যা পর্যন্ত তার কোনো খোঁজ না পেয়ে মৌসুমীর দুই ছেলে আরিফের বাসায় এসে দরজা বন্ধ পান। ধাক্কাধাক্কিতে সাড়া না পেয়ে এক পর্যায়ে পুলিশ ডেকে আনা হয়। দরজা ভেঙে ভেতরে প্রবেশের পর দেখা যায় দু’জনের মরদেহ।

 

তবে মৃত আরিফের ভাই বলছেন ভিন্ন কথা। দাবি করেন, মৌসুমী ও আরিফের মধ্যে অনৈতিক সম্পর্ক ছিল; যা থেকে সরে আসতে দু’জনকেই দীর্ঘদিন ধরে বলে আসছিলেন তারা। এবিষয়ে আরিফের ভাই বলেন, তাদের মধ্যে একটা খারাপ সম্পর্ক হয়ে গিয়েছিল। আমরা অনেকবার বলেছি এই সম্পর্ক রেখো না। ফোনে একবার ওই মেয়েকে বুঝিয়েছি, তোমরা আলাদা হয়ে যাও। এরপর কী হলো জানি না। আজ তো ভাই মৃত।

 

পুলিশ জানিয়েছে, মরদেহ দু’টির ময়নাতদন্ত হবে সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে। প্রাথমিক তদন্তে তাদের মনে হয়েছে, মৌসুমী বেগমকে গলাকেটে হত্যার পর গলায় ফাঁস লাগিয়ে আত্মহত্যা করেন আরিফ হোসেন।

 

তুরাগ থানার পরিদর্শক (তদন্ত) আবু সাঈদ মিয়া বলেন, মরদেহের সুরতহাল প্রতিবেদন করা হয়েছে। ময়নাতদন্তের পর আসল কারণ জানা যাবে।

 

কালের চিঠি / আলিফ