বৃহস্পতিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৪, ১২ বৈশাখ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

গাজীপুরে মহাসড়ক অবরোধ করে শ্রমিকদের বিক্ষোভ

গাজীপুরের শ্রীপুরে বেতন বাড়ানো ও নতুন বেতন কাঠামো বাস্তবায়নের দাবিতে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেছে শ্রমিকরা।

মঙ্গলবার (৫ মার্চ) ভোর সাড়ে ৬টা থেকে উপজেলার জৈনাবাজার এলাকায় বিভিন্ন দাবিতে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়ক অবরোধ করে জমজম স্পিনিং মিলস্ লিমিটেড নামের একটি কারখানার শ্রমিকরা। এতে মহাসড়কের দুপাশে দীর্ঘ যানজটের তৈরী হয়। দেড় ঘন্টা পর পুলিশ শ্রমিকদের বুঝিয়ে মহাসড়ক থেকে সরিয়ে নিলে ৮টার দিকে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়।

আন্দোলনরত শ্রমিকদের অভিযোগ, আশপাশের সব কারখানায় বেতন বাড়ানো হয়েছে। তাদের বেতন ৭হাজার টাকাই রয়ে গেছে। পাশের স্টিকার ম্যান কারখানার বেতন সাড়ে ৯ হাজার, ডাচ বাংলা কারখানায় সাড়ে ৯ হাজার টাকা বেতন। তাদের বেতন কম দেয়া হয়, আবার সময় মতও দেয়া হয় না। বিষয়টি নিয়ে কারখানার ম্যানেজার, জিএমের কাছে কথা বলার জন্য শ্রমিকরা গেলেও তারা কোনো গুরুত্ব দেয়নি।

কারখানার অপারেটর পদে কাজ করেন জুনায়েদ। তিনি বলেন, আমরা নতুন কাঠামোতে বেতনের দাবি জানিয়ে একাধিকবার কারখানা কর্তৃপক্ষের কাছে যোগাযোগ করলেও কোন সাড়া দিচ্ছে না। তাই বাধ্য হয়েই আন্দোলনে নেমেছি।

শ্রমিক আন্দোলনের পরপরই শিল্প পুলিশ, থানা পুলিশ ও মাওনা হাইওয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে আসেন। তারা শ্রমিকদের বুঝিয়ে সাড়ে ৭টার দিকে মহাসড়ক থেকে সরিয়ে নেয়ার কিছু সময়ের মধ্যে শ্রমিকরা ফের মহাসড়কে অবরোধ তৈরী করলে সকাল ৮টায় শ্রমিক বুঝিয়ে কারখানার ভেতর নিয়ে গেলে মহাসড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়।

মাওনা হাইওয়ে থানার উপ-পরিদর্শক ইসমাইল হোসেন বলেন, বেতন বাড়ানোসহ বিভিন্ন দাবিতে শ্রমিকরা মহাসড়ক অবরোধ করেছিল। পরে কারখানা কর্তৃপক্ষের সাথে আলোচনা করার আশ্বাসে তাদের বুঝিয়ে মহাসড়ক থেকে সরিয়ে কারখানার ভেতরে নেয়া হয়েছে।

কালের চিঠি / আশিকুর।

Tag :

গাজীপুরে মহাসড়ক অবরোধ করে শ্রমিকদের বিক্ষোভ

Update Time : ০৪:২০:১৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৫ মার্চ ২০২৪

গাজীপুরের শ্রীপুরে বেতন বাড়ানো ও নতুন বেতন কাঠামো বাস্তবায়নের দাবিতে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেছে শ্রমিকরা।

মঙ্গলবার (৫ মার্চ) ভোর সাড়ে ৬টা থেকে উপজেলার জৈনাবাজার এলাকায় বিভিন্ন দাবিতে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়ক অবরোধ করে জমজম স্পিনিং মিলস্ লিমিটেড নামের একটি কারখানার শ্রমিকরা। এতে মহাসড়কের দুপাশে দীর্ঘ যানজটের তৈরী হয়। দেড় ঘন্টা পর পুলিশ শ্রমিকদের বুঝিয়ে মহাসড়ক থেকে সরিয়ে নিলে ৮টার দিকে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়।

আন্দোলনরত শ্রমিকদের অভিযোগ, আশপাশের সব কারখানায় বেতন বাড়ানো হয়েছে। তাদের বেতন ৭হাজার টাকাই রয়ে গেছে। পাশের স্টিকার ম্যান কারখানার বেতন সাড়ে ৯ হাজার, ডাচ বাংলা কারখানায় সাড়ে ৯ হাজার টাকা বেতন। তাদের বেতন কম দেয়া হয়, আবার সময় মতও দেয়া হয় না। বিষয়টি নিয়ে কারখানার ম্যানেজার, জিএমের কাছে কথা বলার জন্য শ্রমিকরা গেলেও তারা কোনো গুরুত্ব দেয়নি।

কারখানার অপারেটর পদে কাজ করেন জুনায়েদ। তিনি বলেন, আমরা নতুন কাঠামোতে বেতনের দাবি জানিয়ে একাধিকবার কারখানা কর্তৃপক্ষের কাছে যোগাযোগ করলেও কোন সাড়া দিচ্ছে না। তাই বাধ্য হয়েই আন্দোলনে নেমেছি।

শ্রমিক আন্দোলনের পরপরই শিল্প পুলিশ, থানা পুলিশ ও মাওনা হাইওয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে আসেন। তারা শ্রমিকদের বুঝিয়ে সাড়ে ৭টার দিকে মহাসড়ক থেকে সরিয়ে নেয়ার কিছু সময়ের মধ্যে শ্রমিকরা ফের মহাসড়কে অবরোধ তৈরী করলে সকাল ৮টায় শ্রমিক বুঝিয়ে কারখানার ভেতর নিয়ে গেলে মহাসড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়।

মাওনা হাইওয়ে থানার উপ-পরিদর্শক ইসমাইল হোসেন বলেন, বেতন বাড়ানোসহ বিভিন্ন দাবিতে শ্রমিকরা মহাসড়ক অবরোধ করেছিল। পরে কারখানা কর্তৃপক্ষের সাথে আলোচনা করার আশ্বাসে তাদের বুঝিয়ে মহাসড়ক থেকে সরিয়ে কারখানার ভেতরে নেয়া হয়েছে।

কালের চিঠি / আশিকুর।