রবিবার, ১৬ জুন ২০২৪, ১ আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

জামালপুরে গ্রাহকের ১০ কোটি টাকা নিয়ে উধাও সমবায় সমিতি

জামালপুরের মাদারগঞ্জ উপজেলা সমবায় নামে গ্রাহকদের ১০ কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়ে উধাও হয়েছে আশার আলো নামে একটি সমবায় সমিতির চেয়ারম্যানসহ পরিচালকরা। সমিতিতে গচ্ছিত টাকা ফেরত পেতে মানববন্ধন করেছে সমিতির গ্রহকরা।

সোমবার (৪ মার্চ) উপজেলার বালিজুড়ী বাজারে আশার আলো সমবায় সমিতি প্রধান কার্যালয়ের সামনে ঘন্টাব্যাপি মানববন্ধন, বিক্ষোভ ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে স্মারকলিপি প্রদান করা হয়।

মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, ২০১০ সালে উপজেলা থেকে নিবন্ধন নিয়ে আশার আলো সমবায় সমিতি যাত্রা শুরু করলে আমরা বেশ কিছু গ্রাহক জীবনের কষ্টে অর্জীত অর্থ এই সমবায় সমিতিতে গচ্ছিত রাখি। দীর্ঘদিন ধরে সমবায় সমিতি অফিসে গিয়েও গচ্ছিত টাকা ফেরত পাচ্ছি না।

বালিজুড়ি বাজারের ব্যবসায়ি মঞ্জরুল, মাসুম মিয়া সহ অনেক গ্রাহক জানান, তারা আশার আলো সমবায় সমিতির চেয়ারম্যান শফিউল আলম কামরুল ইসলাম এর লাভের প্রলোভনে পড়ে তারা সমিতিতে আমানত হিসাবে কয়েক লাখ টাকা রাখেন। তাদের টাকাসহ ঐ সমিতির দুইশ গ্রাহকের প্রায় ১০ কোটি টাকা নিয়ে চেয়ারম্যান ও পরিচালকরা উধাও হয়ে যায়।

বর্তমানে তারা অফিস বন্ধ করে পালিয়ে গেছে। যে কোন সময় বিদেশ পালাতে পারে বলে ক্ষতিগ্রস্থ গ্রাহকরা অশংঙ্কা করছে।

এ ব্যাপারে অভিযুক্ত চেয়ারম্যান শফিউল আলম কামরুলের সাথে যোগাযোগ করলে তার মোবাইল বন্ধ পাওয়া যায়।

কালের চিঠি/শর্মিলী

Tag :

জামালপুরে গ্রাহকের ১০ কোটি টাকা নিয়ে উধাও সমবায় সমিতি

Update Time : ১১:৪৪:৪৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৪ মার্চ ২০২৪

জামালপুরের মাদারগঞ্জ উপজেলা সমবায় নামে গ্রাহকদের ১০ কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়ে উধাও হয়েছে আশার আলো নামে একটি সমবায় সমিতির চেয়ারম্যানসহ পরিচালকরা। সমিতিতে গচ্ছিত টাকা ফেরত পেতে মানববন্ধন করেছে সমিতির গ্রহকরা।

সোমবার (৪ মার্চ) উপজেলার বালিজুড়ী বাজারে আশার আলো সমবায় সমিতি প্রধান কার্যালয়ের সামনে ঘন্টাব্যাপি মানববন্ধন, বিক্ষোভ ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে স্মারকলিপি প্রদান করা হয়।

মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, ২০১০ সালে উপজেলা থেকে নিবন্ধন নিয়ে আশার আলো সমবায় সমিতি যাত্রা শুরু করলে আমরা বেশ কিছু গ্রাহক জীবনের কষ্টে অর্জীত অর্থ এই সমবায় সমিতিতে গচ্ছিত রাখি। দীর্ঘদিন ধরে সমবায় সমিতি অফিসে গিয়েও গচ্ছিত টাকা ফেরত পাচ্ছি না।

বালিজুড়ি বাজারের ব্যবসায়ি মঞ্জরুল, মাসুম মিয়া সহ অনেক গ্রাহক জানান, তারা আশার আলো সমবায় সমিতির চেয়ারম্যান শফিউল আলম কামরুল ইসলাম এর লাভের প্রলোভনে পড়ে তারা সমিতিতে আমানত হিসাবে কয়েক লাখ টাকা রাখেন। তাদের টাকাসহ ঐ সমিতির দুইশ গ্রাহকের প্রায় ১০ কোটি টাকা নিয়ে চেয়ারম্যান ও পরিচালকরা উধাও হয়ে যায়।

বর্তমানে তারা অফিস বন্ধ করে পালিয়ে গেছে। যে কোন সময় বিদেশ পালাতে পারে বলে ক্ষতিগ্রস্থ গ্রাহকরা অশংঙ্কা করছে।

এ ব্যাপারে অভিযুক্ত চেয়ারম্যান শফিউল আলম কামরুলের সাথে যোগাযোগ করলে তার মোবাইল বন্ধ পাওয়া যায়।

কালের চিঠি/শর্মিলী