রবিবার, ২৬ মে ২০২৪, ১২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

সব থেকে গ্রহণযোগ্য নির্বাচন হয়েছে ৭ জানুয়ারি: প্রধানমন্ত্রী

 

 

 

দেশে-বিদেশে নানা ষড়যন্ত্র ও অপচেষ্টা করেও বিএনপি কিছু করতে পারেনি। ৭৫ পরবর্তী সময়ে দেশে সব থেকে সুষ্ঠু-গ্রহণযোগ্য নির্বাচন হয়েছে ৭ জানুয়ারি। এমন মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

 

বৃহস্পতিবার (২২ ফেব্রুয়ারি) বিকালে তেজগাঁওয়ে আওয়ামী লীগের কার্যালয়ে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের এক আলোচনা সভায় এ মন্তব্য করেন তিনি।

 

প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিএনপি আবারও বড় বড় কথা শুরু করছে। তাদের সাথে জামায়াতের পাশাপাশি কিছু বাম দলও লাফালাফি করছে। এ সময়, ভোট চুরি করে ক্ষমতায় আসার জন্য খালেদা জিয়া পদত্যাগে বাধ্য হয়েছিলেন বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

 

প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, ভাষা আন্দোলনে বঙ্গবন্ধুর অবদানকে মুছে ফেলতে একটি শ্রেণি চেষ্টা করেছিল। ইতিহাসে বঙ্গবন্ধুর অবদান ছোট করা তাদের মজ্জাগত। এ সময়, সকল অপচেষ্টা প্রতিহত করে আওয়ামী লীগ দেশের উন্নয়নে কাজ করে যাবে বলেও জানান তিনি।

 

প্রধানমন্ত্রী বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের বিরুদ্ধে ১৯৫৮ সাল থেকেই পাকিস্তানি গোয়েন্দা সংস্থা  রিপোর্ট করত। জানান, ৯৬ সালে সরকার গঠন করে এসবি অফিস থেকে সব ফাইল সংগ্রহ করেন। সঙ্গে ছিলেন বেবী মওদুদ। দুইজন মিলে ফাইলগুলো পড়েন। বলেন, ভাষা আন্দোলনে বঙ্গবন্ধু কী কাজ করেছেন, তা কিন্তু স্পষ্ট।

 

শেখ হাসিনা বলেন, ‘এসব নিয়ে একবার বক্তব্য দিলে একজন লেখক বললেন, আমি নাকি সব বানিয়ে বলছি’। বক্তব্য দেয়ার সময় পাশের লোকজনকে তিনি বলেন, ওই লেখক বদরুদ্দিন ওমর। পরে বলেন, সব তথ্যপ্রমাণ নিয়ে যাওয়া হয় এম আর আক্তার মুকুলের কাছে। তাকে দিয়ে লেখানোর পর আর কোনো কথা নেই।

 

প্রধানমন্ত্রী বলেন, এক শ্রেণির মানুষ আছে, যা কিছু করেন তাদের কিছুই ভালো লাগে না। এই ভালো না লাগা গ্রুপই বাংলাদেশ নিয়ে বদনাম ছড়ায়।

 

কালের চিঠি / আলিফ

Tag :

সব থেকে গ্রহণযোগ্য নির্বাচন হয়েছে ৭ জানুয়ারি: প্রধানমন্ত্রী

Update Time : ০৩:৫০:০৬ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪

 

 

 

দেশে-বিদেশে নানা ষড়যন্ত্র ও অপচেষ্টা করেও বিএনপি কিছু করতে পারেনি। ৭৫ পরবর্তী সময়ে দেশে সব থেকে সুষ্ঠু-গ্রহণযোগ্য নির্বাচন হয়েছে ৭ জানুয়ারি। এমন মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

 

বৃহস্পতিবার (২২ ফেব্রুয়ারি) বিকালে তেজগাঁওয়ে আওয়ামী লীগের কার্যালয়ে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের এক আলোচনা সভায় এ মন্তব্য করেন তিনি।

 

প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিএনপি আবারও বড় বড় কথা শুরু করছে। তাদের সাথে জামায়াতের পাশাপাশি কিছু বাম দলও লাফালাফি করছে। এ সময়, ভোট চুরি করে ক্ষমতায় আসার জন্য খালেদা জিয়া পদত্যাগে বাধ্য হয়েছিলেন বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

 

প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, ভাষা আন্দোলনে বঙ্গবন্ধুর অবদানকে মুছে ফেলতে একটি শ্রেণি চেষ্টা করেছিল। ইতিহাসে বঙ্গবন্ধুর অবদান ছোট করা তাদের মজ্জাগত। এ সময়, সকল অপচেষ্টা প্রতিহত করে আওয়ামী লীগ দেশের উন্নয়নে কাজ করে যাবে বলেও জানান তিনি।

 

প্রধানমন্ত্রী বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের বিরুদ্ধে ১৯৫৮ সাল থেকেই পাকিস্তানি গোয়েন্দা সংস্থা  রিপোর্ট করত। জানান, ৯৬ সালে সরকার গঠন করে এসবি অফিস থেকে সব ফাইল সংগ্রহ করেন। সঙ্গে ছিলেন বেবী মওদুদ। দুইজন মিলে ফাইলগুলো পড়েন। বলেন, ভাষা আন্দোলনে বঙ্গবন্ধু কী কাজ করেছেন, তা কিন্তু স্পষ্ট।

 

শেখ হাসিনা বলেন, ‘এসব নিয়ে একবার বক্তব্য দিলে একজন লেখক বললেন, আমি নাকি সব বানিয়ে বলছি’। বক্তব্য দেয়ার সময় পাশের লোকজনকে তিনি বলেন, ওই লেখক বদরুদ্দিন ওমর। পরে বলেন, সব তথ্যপ্রমাণ নিয়ে যাওয়া হয় এম আর আক্তার মুকুলের কাছে। তাকে দিয়ে লেখানোর পর আর কোনো কথা নেই।

 

প্রধানমন্ত্রী বলেন, এক শ্রেণির মানুষ আছে, যা কিছু করেন তাদের কিছুই ভালো লাগে না। এই ভালো না লাগা গ্রুপই বাংলাদেশ নিয়ে বদনাম ছড়ায়।

 

কালের চিঠি / আলিফ