সোমবার, ১৭ জুন ২০২৪, ৩ আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

সংঘর্ষে জড়াল চবি ছাত্রলীগের দূটি উপগ্রুপ

 

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের দুটি উপ গ্রুপ বিজয়(মকু) ও সিক্সটি নাইনের সংঘর্ষ ঘটে।সামান্য কথা কাটাকাটি এবং পূর্বের দ্বন্দ্বের জের ধরে সংঘর্ষে জড়ায় শাখা ছাত্রলীগের দুটি উপগ্রুপ সিক্সটি নাইন এবং বিজয়(মকু) উপগ্রুপের নেতা-কর্মীরা।এসময় কয়েক জনের আহতের খবর পাওয়া যায়।

আজ বৃহস্পতিবার (১৫ফেব্রুয়ারি) দুপুর সাড়ে ১২ টার সময় আমানত হলের সামনের রাস্তায় এ সংঘর্ষ ঘটে। এসময় বিজয় গ্রুপের নেতাকর্মীরা সোহরাওয়ার্দী হল মোড়ে এবং সিক্সটি নাইনের নেতাকর্মীরা শাহ আমানত হল মাঠে আবস্থান করে।

বিজয় উপ গ্রুপের নেতা কর্মীরা শিক্ষামন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেলের অনুসারী বলে ক্যাম্পাসে পরিচিত।অপরদিকে,সিক্সটি নাইনের নেতা-কর্মীরা নগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আ.জ.ম নাসির উদ্দিনের অনুসারী বলে ক্যাম্পাসে পরিচিত।

এসময় উভয় গ্রুপের নেতা-কর্মীদের দেশীয় অস্ত্র হাতে মহড়া দিতে দেখা যায়।তারা ইট-পাটকেল দিয়েও মারামারি করে।

জানতে চাইলে বিজয়(একাংশের)উপ-গ্রুপের নেতা সাখাওয়াত হোসেন বলেন, “শিক্ষা ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের ২০১৭-১৮ সেশনের শিক্ষার্থী রাশেদকে পূর্বের ঘটনার জের ধরে আজকের চলমান পিঠা উৎসবে সিক্সটি নাইনের নেতা-কর্মীরা মারধর করে। সেই মারধর থেকে সংঘর্ষের শুরু হয়।”

সিক্সটি নাইন গ্রুপের নেতা সাবেক যুগ্ম সাধারন সম্পাদক সাইদুল ইসলাম সাইদ বলেন,”আমি এই মুহূর্তে অনেক ব্যস্ত আছি,পরে কথা বলবো।”

বিশ্ববিদ্যালয় প্রক্টর অধ্যাপক ড. নুরুল আজীম সিকদার বলেন, “দুই হলের শিক্ষার্থীদের কথা কাটাকাটির জেড় ধরে এ সংঘর্ষ ঘটে।ঘটনার খবর পাওয়া মাত্র আমরা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী নিয়ে হাজির হই এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনি। এখন দুই হলের শিক্ষার্থীরা তাদের স্ব স্ব হলে অবস্থান করছে এবং পরিস্থিতি শান্ত আছে।

 

Tag :

সংঘর্ষে জড়াল চবি ছাত্রলীগের দূটি উপগ্রুপ

Update Time : ০৮:৪৬:১১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪

 

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের দুটি উপ গ্রুপ বিজয়(মকু) ও সিক্সটি নাইনের সংঘর্ষ ঘটে।সামান্য কথা কাটাকাটি এবং পূর্বের দ্বন্দ্বের জের ধরে সংঘর্ষে জড়ায় শাখা ছাত্রলীগের দুটি উপগ্রুপ সিক্সটি নাইন এবং বিজয়(মকু) উপগ্রুপের নেতা-কর্মীরা।এসময় কয়েক জনের আহতের খবর পাওয়া যায়।

আজ বৃহস্পতিবার (১৫ফেব্রুয়ারি) দুপুর সাড়ে ১২ টার সময় আমানত হলের সামনের রাস্তায় এ সংঘর্ষ ঘটে। এসময় বিজয় গ্রুপের নেতাকর্মীরা সোহরাওয়ার্দী হল মোড়ে এবং সিক্সটি নাইনের নেতাকর্মীরা শাহ আমানত হল মাঠে আবস্থান করে।

বিজয় উপ গ্রুপের নেতা কর্মীরা শিক্ষামন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেলের অনুসারী বলে ক্যাম্পাসে পরিচিত।অপরদিকে,সিক্সটি নাইনের নেতা-কর্মীরা নগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আ.জ.ম নাসির উদ্দিনের অনুসারী বলে ক্যাম্পাসে পরিচিত।

এসময় উভয় গ্রুপের নেতা-কর্মীদের দেশীয় অস্ত্র হাতে মহড়া দিতে দেখা যায়।তারা ইট-পাটকেল দিয়েও মারামারি করে।

জানতে চাইলে বিজয়(একাংশের)উপ-গ্রুপের নেতা সাখাওয়াত হোসেন বলেন, “শিক্ষা ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের ২০১৭-১৮ সেশনের শিক্ষার্থী রাশেদকে পূর্বের ঘটনার জের ধরে আজকের চলমান পিঠা উৎসবে সিক্সটি নাইনের নেতা-কর্মীরা মারধর করে। সেই মারধর থেকে সংঘর্ষের শুরু হয়।”

সিক্সটি নাইন গ্রুপের নেতা সাবেক যুগ্ম সাধারন সম্পাদক সাইদুল ইসলাম সাইদ বলেন,”আমি এই মুহূর্তে অনেক ব্যস্ত আছি,পরে কথা বলবো।”

বিশ্ববিদ্যালয় প্রক্টর অধ্যাপক ড. নুরুল আজীম সিকদার বলেন, “দুই হলের শিক্ষার্থীদের কথা কাটাকাটির জেড় ধরে এ সংঘর্ষ ঘটে।ঘটনার খবর পাওয়া মাত্র আমরা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী নিয়ে হাজির হই এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনি। এখন দুই হলের শিক্ষার্থীরা তাদের স্ব স্ব হলে অবস্থান করছে এবং পরিস্থিতি শান্ত আছে।