রবিবার, ২৬ মে ২০২৪, ১২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

শিশুদের জন্য স্কুলভিত্তিক বই ঘর পাঠাগার উদ্বোধন

 

 

গাইবান্ধা শহরের নিউটন প্রিপারেটরী স্কুলে স্কুলভিত্তিক বই ঘর পাঠাগারের উদ্বোধন করা হয়েছে।

শিশুদের জীবনমান উন্নয়নে দীর্ঘদিন ধরে কাজ করা স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন সৃজনশীল গাইবান্ধা ও বই ঘর পাঠাগারের যৌথ উদ্যোগে গড়ে তোলা হয় স্কুলভিত্তিক এই ‘বই ঘর পাঠাগার’।

সুখনগর নারায়নপুরে অবস্থিত নিউটন প্রিপারেটরী স্কুলে আজ সোমবার (৫ ফেব্রুয়ারি) আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করা হয় পাঠাগারটি।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন গাইবান্ধা জেলা ক্রীড়া কর্মকর্তা মো. আলমগীর হোসেন। বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সুকমল চন্দ্র সরকারের সভাপতিত্বে আরও বক্তব্য রাখেন বই ঘর পাঠাগার প্রতিষ্ঠাতা ও সভাপতি মোঃ মেহেদী হাসান, নিউটন প্রিপারেটরী স্কুলের সহকারী প্রধান শিক্ষক কৃষ্ণ চন্দ্র সরকার, শিক্ষক ফরিদা ইয়াসমিন, মোশাররফ হোসেন, রাফিয়া সুলতানা, বই ঘর পাঠাগারের সদস্য নিশাত তানিম, আসফিকুর রহমান, আসিফ রায়হান প্রমুখ।

নিউটন প্রিপারেটরী স্কুলের পঞ্চম শ্রেণির ছাত্রী সুমাইয়া আক্তার বলে, এখান থেকে আমরা ছড়া ও গল্পের বই নিতে পারব। আমরা অনেক খুশি হয়েছি।

গাইবান্ধা জেলা ক্রীড়া কর্মকর্তা মো. আলমগীর হোসেন বলেন, এই স্কুলভিত্তিক বই ঘর পাঠাগার উদ্যোগটি আমার ভালো লেগেছে, সকল প্রতিষ্ঠানে এমন দৃশ্যমান পাঠাগার থাকা অনেক জরুরি।

প্রতিষ্ঠানের প্রধান শিক্ষক সুকমল চন্দ্র সরকার বলেন, এই পাঠাগারের মাধ্যমে আমাদের স্কুলের শিশুরা অনেক কিছু শিখতে পারবে, এমন উদ্যোগ নেওয়ার জন্য বই ঘর পাঠাগারকে অসংখ্য সাধুবাদ জানাই। অত্র প্রতিষ্ঠান থেকে স্কুলভিত্তিক বই ঘর পাঠাগারের জন্য সবরকম সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে।

বই ঘর পাঠাগার প্রতিষ্ঠাতা ও সভাপতি মোঃ মেহেদী হাসান বলেন, শিশু-কিশোরদের পাঠাভ্যাস কমে যাওয়ার পেছনে অনেক কারণ রয়েছে। সবচেয়ে বড় কারণ হলো অভিভাবকেরা। পাঠ্যবইয়ের বাইরে কোনো বই-ই তাঁরা সন্তানকে পড়তে দিতে রাজি নন। কম বয়সেই তাদের হাতে তুলে দিচ্ছে ইলেকট্রনিক্স ডিভাইস যার ফলে বই থেকে দূরে সরে যাচ্ছে। তাই ‘শিশু-কিশোরদের পাঠ্যবইয়ের পাশাপাশি এখন থেকে বইমুখী করতে হবে।

পরে জাতীয় গ্রন্থাগার দিবস উপলক্ষে ‘গ্রন্থাগারে বই পড়ি, স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ি তুলি’ প্রতিপাদ্য নিয়ে বই ঘর পাঠাগারের আয়োজনে র‌্যালি, আলোচনা সভা, শিশু-কিশোর পাঠকদের বই-উপহার, পাঠচক্র, পাঠ প্রতিযোগিতা, বিদ্যালয়ভিত্তিক বই পড়া কর্মসূচি, চিত্রাঙ্কন ও কুইজ প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণ করা হয়।

Tag :

শিশুদের জন্য স্কুলভিত্তিক বই ঘর পাঠাগার উদ্বোধন

Update Time : ০৮:৪৭:৪৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪

 

 

গাইবান্ধা শহরের নিউটন প্রিপারেটরী স্কুলে স্কুলভিত্তিক বই ঘর পাঠাগারের উদ্বোধন করা হয়েছে।

শিশুদের জীবনমান উন্নয়নে দীর্ঘদিন ধরে কাজ করা স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন সৃজনশীল গাইবান্ধা ও বই ঘর পাঠাগারের যৌথ উদ্যোগে গড়ে তোলা হয় স্কুলভিত্তিক এই ‘বই ঘর পাঠাগার’।

সুখনগর নারায়নপুরে অবস্থিত নিউটন প্রিপারেটরী স্কুলে আজ সোমবার (৫ ফেব্রুয়ারি) আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করা হয় পাঠাগারটি।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন গাইবান্ধা জেলা ক্রীড়া কর্মকর্তা মো. আলমগীর হোসেন। বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সুকমল চন্দ্র সরকারের সভাপতিত্বে আরও বক্তব্য রাখেন বই ঘর পাঠাগার প্রতিষ্ঠাতা ও সভাপতি মোঃ মেহেদী হাসান, নিউটন প্রিপারেটরী স্কুলের সহকারী প্রধান শিক্ষক কৃষ্ণ চন্দ্র সরকার, শিক্ষক ফরিদা ইয়াসমিন, মোশাররফ হোসেন, রাফিয়া সুলতানা, বই ঘর পাঠাগারের সদস্য নিশাত তানিম, আসফিকুর রহমান, আসিফ রায়হান প্রমুখ।

নিউটন প্রিপারেটরী স্কুলের পঞ্চম শ্রেণির ছাত্রী সুমাইয়া আক্তার বলে, এখান থেকে আমরা ছড়া ও গল্পের বই নিতে পারব। আমরা অনেক খুশি হয়েছি।

গাইবান্ধা জেলা ক্রীড়া কর্মকর্তা মো. আলমগীর হোসেন বলেন, এই স্কুলভিত্তিক বই ঘর পাঠাগার উদ্যোগটি আমার ভালো লেগেছে, সকল প্রতিষ্ঠানে এমন দৃশ্যমান পাঠাগার থাকা অনেক জরুরি।

প্রতিষ্ঠানের প্রধান শিক্ষক সুকমল চন্দ্র সরকার বলেন, এই পাঠাগারের মাধ্যমে আমাদের স্কুলের শিশুরা অনেক কিছু শিখতে পারবে, এমন উদ্যোগ নেওয়ার জন্য বই ঘর পাঠাগারকে অসংখ্য সাধুবাদ জানাই। অত্র প্রতিষ্ঠান থেকে স্কুলভিত্তিক বই ঘর পাঠাগারের জন্য সবরকম সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে।

বই ঘর পাঠাগার প্রতিষ্ঠাতা ও সভাপতি মোঃ মেহেদী হাসান বলেন, শিশু-কিশোরদের পাঠাভ্যাস কমে যাওয়ার পেছনে অনেক কারণ রয়েছে। সবচেয়ে বড় কারণ হলো অভিভাবকেরা। পাঠ্যবইয়ের বাইরে কোনো বই-ই তাঁরা সন্তানকে পড়তে দিতে রাজি নন। কম বয়সেই তাদের হাতে তুলে দিচ্ছে ইলেকট্রনিক্স ডিভাইস যার ফলে বই থেকে দূরে সরে যাচ্ছে। তাই ‘শিশু-কিশোরদের পাঠ্যবইয়ের পাশাপাশি এখন থেকে বইমুখী করতে হবে।

পরে জাতীয় গ্রন্থাগার দিবস উপলক্ষে ‘গ্রন্থাগারে বই পড়ি, স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ি তুলি’ প্রতিপাদ্য নিয়ে বই ঘর পাঠাগারের আয়োজনে র‌্যালি, আলোচনা সভা, শিশু-কিশোর পাঠকদের বই-উপহার, পাঠচক্র, পাঠ প্রতিযোগিতা, বিদ্যালয়ভিত্তিক বই পড়া কর্মসূচি, চিত্রাঙ্কন ও কুইজ প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণ করা হয়।