বৃহস্পতিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৪, ১২ বৈশাখ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

গরমে ‘গলে যাচ্ছে’ আর্জেন্টিনা

 

 

লাতিন আমেরিকার দ্বিতীয় বৃহত্তম দেশ আর্জেন্টিনায় তাপপ্রবাহ অব্যাহত রয়েছে। সূর্যের প্রখর রোদে সৃষ্ট গরমে জনগণের নাভিশ্বাসের উপক্রম।

 

গতকাল বৃহস্পতিবারও দেশটির অধিকাংশ অঞ্চলে তাপমাত্রা ৪০ ডিগ্রি সেলিসিয়াস অতিক্রম করে।

 

সাম্প্রতিক বছরগুলোতে এর আগে তাপমাত্রার পারদ এত উঁচুতে দেখেনি আর্জেন্টিনা।

 

প্রায় সব অঞ্চলে তাপপ্রবাহ বয়ে যাওয়ায় ইতোমধ্যে দেশজুড়ে রেড অ্যালার্ট জারি করেছে কেন্দ্রীয় সরকার।

রাজধানী বুয়েন্স এইরেসে এ তাপমাত্রা সহ্যের সীমা ছাড়িয়েছে জানিয়ে সেখানের বাসিন্দারা দুর্ভোগে নিজেদের অবস্থার কথা জানাতে গিয়ে বলেন, সবকিছু গলে যাওয়ার মতো অবস্থা হয়েছে।

 

ব্যবসায়ী ডিয়েগো গ্যাটি (৩৪) রয়টার্সকে বলেন, একটু শীতল হতে সবাই সমুদ্র-হ্রদ-নদীর দিকে ছুটছে। জলাশয় থেকে দূরবর্তী এলাকাগুলো রীতিমতো নরকে পরিণত হয়েছে।

 

প্রায় সব অঞ্চলে তাপপ্রবাহ বয়ে যাওয়ায় ইতোমধ্যে দেশজুড়ে রেড অ্যালার্ট জারি করেছে কেন্দ্রীয় সরকার।

রাজধানী বুয়েন্স এইরেসে এ তাপমাত্রা সহ্যের সীমা ছাড়িয়েছে জানিয়ে সেখানের বাসিন্দারা দুর্ভোগে নিজেদের অবস্থার কথা জানাতে গিয়ে বলেন, সবকিছু গলে যাওয়ার মতো অবস্থা হয়েছে।

 

 

ব্যবসায়ী ডিয়েগো গ্যাটি (৩৪) রয়টার্সকে বলেন, একটু শীতল হতে সবাই সমুদ্র-হ্রদ-নদীর দিকে ছুটছে। জলাশয় থেকে দূরবর্তী এলাকাগুলো রীতিমতো নরকে পরিণত হয়েছে।

 

 

এ মুহূর্তে বেশিরভাগ মানুষই নদী-হ্রদে নেমে পড়েছেন জানিয়ে ৪৭ বছর বয়সী সার্জিও পাভন বলেন, এতো গরম যে এমনকি এয়ার কন্ডিশনারও যথেষ্ট নয়। তাপ ছাদ থেকে বাড়ির মধ্যে ছড়িয়ে পড়ে, ঘরে টেকা যায় না।

 

তিনি রয়টার্সকে আরও বলেন, তাই (গরম থেকে বাচঁতে) সবচেয়ে ভালো উপায় হলো (বাড়ি থেকে) পালিয়ে যাওয়া এবং পরিবারের সঙ্গে ভালো সময় কাটাতে নদীর ধারে এমন একটি জায়গার খোঁজ করা।

 

ফুটবলপ্রিয় দেশ আর্জেন্টিনা আয়তনে ২৭ লাখ ৮০ হাজার ৪০০ বর্গকিলোমিটার। সেই তুলনায় জনসংখ্যা কম। সেখানে বসবাস করেন মাত্র ৪ কোটি ৫০ লাখের কিছু বেশি মানুষ।

 

দক্ষিণ আমেরিকা অঞ্চলের দেশটির অবস্থান হওয়ায় এখন গ্রীষ্ম ঋতু চলছে আর্জেন্টিনায়। জানুয়ারি মাসে যখন এশিয়া-ইউরোপের দেশগুলোতে ব্যাপক শীত থাকে, সে সময় আর্জেন্টিনাসহ লাতিন আমেরিকার দেশগুলো ভরা গ্রীষ্মকাল পার করে।

 

কালের চিঠি/ ফাহিম

Tag :

গরমে ‘গলে যাচ্ছে’ আর্জেন্টিনা

Update Time : ০৪:০৬:১৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪

 

 

লাতিন আমেরিকার দ্বিতীয় বৃহত্তম দেশ আর্জেন্টিনায় তাপপ্রবাহ অব্যাহত রয়েছে। সূর্যের প্রখর রোদে সৃষ্ট গরমে জনগণের নাভিশ্বাসের উপক্রম।

 

গতকাল বৃহস্পতিবারও দেশটির অধিকাংশ অঞ্চলে তাপমাত্রা ৪০ ডিগ্রি সেলিসিয়াস অতিক্রম করে।

 

সাম্প্রতিক বছরগুলোতে এর আগে তাপমাত্রার পারদ এত উঁচুতে দেখেনি আর্জেন্টিনা।

 

প্রায় সব অঞ্চলে তাপপ্রবাহ বয়ে যাওয়ায় ইতোমধ্যে দেশজুড়ে রেড অ্যালার্ট জারি করেছে কেন্দ্রীয় সরকার।

রাজধানী বুয়েন্স এইরেসে এ তাপমাত্রা সহ্যের সীমা ছাড়িয়েছে জানিয়ে সেখানের বাসিন্দারা দুর্ভোগে নিজেদের অবস্থার কথা জানাতে গিয়ে বলেন, সবকিছু গলে যাওয়ার মতো অবস্থা হয়েছে।

 

ব্যবসায়ী ডিয়েগো গ্যাটি (৩৪) রয়টার্সকে বলেন, একটু শীতল হতে সবাই সমুদ্র-হ্রদ-নদীর দিকে ছুটছে। জলাশয় থেকে দূরবর্তী এলাকাগুলো রীতিমতো নরকে পরিণত হয়েছে।

 

প্রায় সব অঞ্চলে তাপপ্রবাহ বয়ে যাওয়ায় ইতোমধ্যে দেশজুড়ে রেড অ্যালার্ট জারি করেছে কেন্দ্রীয় সরকার।

রাজধানী বুয়েন্স এইরেসে এ তাপমাত্রা সহ্যের সীমা ছাড়িয়েছে জানিয়ে সেখানের বাসিন্দারা দুর্ভোগে নিজেদের অবস্থার কথা জানাতে গিয়ে বলেন, সবকিছু গলে যাওয়ার মতো অবস্থা হয়েছে।

 

 

ব্যবসায়ী ডিয়েগো গ্যাটি (৩৪) রয়টার্সকে বলেন, একটু শীতল হতে সবাই সমুদ্র-হ্রদ-নদীর দিকে ছুটছে। জলাশয় থেকে দূরবর্তী এলাকাগুলো রীতিমতো নরকে পরিণত হয়েছে।

 

 

এ মুহূর্তে বেশিরভাগ মানুষই নদী-হ্রদে নেমে পড়েছেন জানিয়ে ৪৭ বছর বয়সী সার্জিও পাভন বলেন, এতো গরম যে এমনকি এয়ার কন্ডিশনারও যথেষ্ট নয়। তাপ ছাদ থেকে বাড়ির মধ্যে ছড়িয়ে পড়ে, ঘরে টেকা যায় না।

 

তিনি রয়টার্সকে আরও বলেন, তাই (গরম থেকে বাচঁতে) সবচেয়ে ভালো উপায় হলো (বাড়ি থেকে) পালিয়ে যাওয়া এবং পরিবারের সঙ্গে ভালো সময় কাটাতে নদীর ধারে এমন একটি জায়গার খোঁজ করা।

 

ফুটবলপ্রিয় দেশ আর্জেন্টিনা আয়তনে ২৭ লাখ ৮০ হাজার ৪০০ বর্গকিলোমিটার। সেই তুলনায় জনসংখ্যা কম। সেখানে বসবাস করেন মাত্র ৪ কোটি ৫০ লাখের কিছু বেশি মানুষ।

 

দক্ষিণ আমেরিকা অঞ্চলের দেশটির অবস্থান হওয়ায় এখন গ্রীষ্ম ঋতু চলছে আর্জেন্টিনায়। জানুয়ারি মাসে যখন এশিয়া-ইউরোপের দেশগুলোতে ব্যাপক শীত থাকে, সে সময় আর্জেন্টিনাসহ লাতিন আমেরিকার দেশগুলো ভরা গ্রীষ্মকাল পার করে।

 

কালের চিঠি/ ফাহিম