শুক্রবার, ১২ জুলাই ২০২৪, ২৮ আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

সৈয়দের খেজুর বাগান যেন এক টুকরো আরব

 

কাউকে চোখ বেঁধে সৈয়দের খেজুর বাগানে নিয়ে চোখ খুলার পর মনে হবে আরব দেশের কোন একটি খেজুর বাগানে এসেছে। এক মুহুর্তের জন্য যে কেউ দ্বিধায় পড়ে যায় এ বাগানে এসে। সৈয়দ তার স্বপ্নের খেজুর বাগানকে হুবুহু আরব দেশের খেজুর বাগানের মতোই সাজিয়েছেন।

সারিবন্ধভাবে লাগিয়েছেন প্রায় ৪ শতাধিক খেজুর গাছ। পাহাড়ের পাদদেশে অপরূপ সৌন্দর্যময় বাগানটি দেখে যে কারো মন জুড়িয়ে যাবে। এটিই এখন উপজেলায় জনপ্রিয় পিকনিক স্পট হয়ে ওঠেছে।

Shwapno Online Grocery Shopping
বাগানটির অবস্থান চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়া উপজেলার উত্তর রাঙ্গুনিয়া ধামাইরহাট বাজার থেকে ৩ কিমি পূর্বে পূর্ব নিশ্চিন্তাপুর হালদী ছড়া নামক স্থানে। বাগানটি প্রায় ৭ একর জায়গা জুরে। খেজুর বাগান ছাড়াও রয়েছে আম, পেয়ারা, বড়ই, লিচু, কলা, কমলা, লেবু ও সবজি বাগান। পাশে রয়েছে বিশাল পুকুর, যেখানে হরেক রকমের মাছ চাষ হচ্ছে।

তার পাশেই খেজুর গাছের পাতা দিয়ে তৈরি করা হয়েছে সুন্দর একটি ঝুপড়ি ঘর। যেখানে দুটি চুলা ও পাশে রাখা থাকে লাকড়ি। মূলত এখানে যারা শীতকালীন পিকনিক করতে আসে তাদের জন্যই এ সুব্যবস্থা। শীতের মৌসুমে মনোমুগ্ধকর পরিবেশে সময় কাটাতে ও শীতকালীন পিকনিক করতে সিরিয়াল দিয়ে আসতে হয় তার এই খেজুর বাগানে।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, খেজুর বাগানটি বেশ পরিপাটি। চারপাশে সারিবদ্ধভাবে গাছগুলো লাগানো হয়েছে। গাছগুলোর চারপাশে চাষ দিয়ে বালুময় করে রাখা হয়েছে। যেন মনে হয় একটুকরো আরব। এদিন স্কুল-কলেজের কয়েকজন শিক্ষক ও এলাকার বেশ কিছু যুবক এসেছেন। তারা কেউ রান্না করছেন, কেউ ফুটবল খেলছেন, কেউ বাগানটি ঘুরে দেখছেন, কেউ কেউ ছবি তুলছেন, আর কেউ বসে বসে আড্ডা দিচ্ছেন।

মূলত আরো কয়েকদিন আগে তারা সৈয়দকে কল করে সিরিয়াল নিয়েই এখানে পিকনিক করতে এসেছেন। আরেকটু সামনে যেতেই চোখে পড়ে সৈয়দের রস সংগ্রহের ব্যস্ত সময় পার করার দৃশ্য।

কাউকে চোখ বেঁধে সৈয়দের খেজুর বাগানে নিয়ে চোখ খুলার পর মনে হবে আরব দেশের কোন একটি খেজুর বাগানে এসেছে। এক মুহুর্তের জন্য যে কেউ দ্বিধায় পড়ে যায় এ বাগানে এসে। সৈয়দ তার স্বপ্নের খেজুর বাগানকে হুবুহু আরব দেশের খেজুর বাগানের মতোই সাজিয়েছেন।

সারিবন্ধভাবে লাগিয়েছেন প্রায় ৪ শতাধিক খেজুর গাছ। পাহাড়ের পাদদেশে অপরূপ সৌন্দর্যময় বাগানটি দেখে যে কারো মন জুড়িয়ে যাবে। এটিই এখন উপজেলায় জনপ্রিয় পিকনিক স্পট হয়ে ওঠেছে।

Shwapno Online Grocery Shopping
বাগানটির অবস্থান চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়া উপজেলার উত্তর রাঙ্গুনিয়া ধামাইরহাট বাজার থেকে ৩ কিমি পূর্বে পূর্ব নিশ্চিন্তাপুর হালদী ছড়া নামক স্থানে। বাগানটি প্রায় ৭ একর জায়গা জুরে। খেজুর বাগান ছাড়াও রয়েছে আম, পেয়ারা, বড়ই, লিচু, কলা, কমলা, লেবু ও সবজি বাগান। পাশে রয়েছে বিশাল পুকুর, যেখানে হরেক রকমের মাছ চাষ হচ্ছে।

তার পাশেই খেজুর গাছের পাতা দিয়ে তৈরি করা হয়েছে সুন্দর একটি ঝুপড়ি ঘর। যেখানে দুটি চুলা ও পাশে রাখা থাকে লাকড়ি। মূলত এখানে যারা শীতকালীন পিকনিক করতে আসে তাদের জন্যই এ সুব্যবস্থা। শীতের মৌসুমে মনোমুগ্ধকর পরিবেশে সময় কাটাতে ও শীতকালীন পিকনিক করতে সিরিয়াল দিয়ে আসতে হয় তার এই খেজুর বাগানে।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, খেজুর বাগানটি বেশ পরিপাটি। চারপাশে সারিবদ্ধভাবে গাছগুলো লাগানো হয়েছে। গাছগুলোর চারপাশে চাষ দিয়ে বালুময় করে রাখা হয়েছে। যেন মনে হয় একটুকরো আরব। এদিন স্কুল-কলেজের কয়েকজন শিক্ষক ও এলাকার বেশ কিছু যুবক এসেছেন। তারা কেউ রান্না করছেন, কেউ ফুটবল খেলছেন, কেউ বাগানটি ঘুরে দেখছেন, কেউ কেউ ছবি তুলছেন, আর কেউ বসে বসে আড্ডা দিচ্ছেন।

মূলত আরো কয়েকদিন আগে তারা সৈয়দকে কল করে সিরিয়াল নিয়েই এখানে পিকনিক করতে এসেছেন। আরেকটু সামনে যেতেই চোখে পড়ে সৈয়দের রস সংগ্রহের ব্যস্ত সময় পার করার দৃশ্য।

Tag :

বালু ব্যবসায়ীর মিথ্যা মামলায় সাংবাদিক কারাগারে

সৈয়দের খেজুর বাগান যেন এক টুকরো আরব

Update Time : ০৯:৪৩:৪৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৩১ জানুয়ারী ২০২৪

 

কাউকে চোখ বেঁধে সৈয়দের খেজুর বাগানে নিয়ে চোখ খুলার পর মনে হবে আরব দেশের কোন একটি খেজুর বাগানে এসেছে। এক মুহুর্তের জন্য যে কেউ দ্বিধায় পড়ে যায় এ বাগানে এসে। সৈয়দ তার স্বপ্নের খেজুর বাগানকে হুবুহু আরব দেশের খেজুর বাগানের মতোই সাজিয়েছেন।

সারিবন্ধভাবে লাগিয়েছেন প্রায় ৪ শতাধিক খেজুর গাছ। পাহাড়ের পাদদেশে অপরূপ সৌন্দর্যময় বাগানটি দেখে যে কারো মন জুড়িয়ে যাবে। এটিই এখন উপজেলায় জনপ্রিয় পিকনিক স্পট হয়ে ওঠেছে।

Shwapno Online Grocery Shopping
বাগানটির অবস্থান চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়া উপজেলার উত্তর রাঙ্গুনিয়া ধামাইরহাট বাজার থেকে ৩ কিমি পূর্বে পূর্ব নিশ্চিন্তাপুর হালদী ছড়া নামক স্থানে। বাগানটি প্রায় ৭ একর জায়গা জুরে। খেজুর বাগান ছাড়াও রয়েছে আম, পেয়ারা, বড়ই, লিচু, কলা, কমলা, লেবু ও সবজি বাগান। পাশে রয়েছে বিশাল পুকুর, যেখানে হরেক রকমের মাছ চাষ হচ্ছে।

তার পাশেই খেজুর গাছের পাতা দিয়ে তৈরি করা হয়েছে সুন্দর একটি ঝুপড়ি ঘর। যেখানে দুটি চুলা ও পাশে রাখা থাকে লাকড়ি। মূলত এখানে যারা শীতকালীন পিকনিক করতে আসে তাদের জন্যই এ সুব্যবস্থা। শীতের মৌসুমে মনোমুগ্ধকর পরিবেশে সময় কাটাতে ও শীতকালীন পিকনিক করতে সিরিয়াল দিয়ে আসতে হয় তার এই খেজুর বাগানে।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, খেজুর বাগানটি বেশ পরিপাটি। চারপাশে সারিবদ্ধভাবে গাছগুলো লাগানো হয়েছে। গাছগুলোর চারপাশে চাষ দিয়ে বালুময় করে রাখা হয়েছে। যেন মনে হয় একটুকরো আরব। এদিন স্কুল-কলেজের কয়েকজন শিক্ষক ও এলাকার বেশ কিছু যুবক এসেছেন। তারা কেউ রান্না করছেন, কেউ ফুটবল খেলছেন, কেউ বাগানটি ঘুরে দেখছেন, কেউ কেউ ছবি তুলছেন, আর কেউ বসে বসে আড্ডা দিচ্ছেন।

মূলত আরো কয়েকদিন আগে তারা সৈয়দকে কল করে সিরিয়াল নিয়েই এখানে পিকনিক করতে এসেছেন। আরেকটু সামনে যেতেই চোখে পড়ে সৈয়দের রস সংগ্রহের ব্যস্ত সময় পার করার দৃশ্য।

কাউকে চোখ বেঁধে সৈয়দের খেজুর বাগানে নিয়ে চোখ খুলার পর মনে হবে আরব দেশের কোন একটি খেজুর বাগানে এসেছে। এক মুহুর্তের জন্য যে কেউ দ্বিধায় পড়ে যায় এ বাগানে এসে। সৈয়দ তার স্বপ্নের খেজুর বাগানকে হুবুহু আরব দেশের খেজুর বাগানের মতোই সাজিয়েছেন।

সারিবন্ধভাবে লাগিয়েছেন প্রায় ৪ শতাধিক খেজুর গাছ। পাহাড়ের পাদদেশে অপরূপ সৌন্দর্যময় বাগানটি দেখে যে কারো মন জুড়িয়ে যাবে। এটিই এখন উপজেলায় জনপ্রিয় পিকনিক স্পট হয়ে ওঠেছে।

Shwapno Online Grocery Shopping
বাগানটির অবস্থান চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়া উপজেলার উত্তর রাঙ্গুনিয়া ধামাইরহাট বাজার থেকে ৩ কিমি পূর্বে পূর্ব নিশ্চিন্তাপুর হালদী ছড়া নামক স্থানে। বাগানটি প্রায় ৭ একর জায়গা জুরে। খেজুর বাগান ছাড়াও রয়েছে আম, পেয়ারা, বড়ই, লিচু, কলা, কমলা, লেবু ও সবজি বাগান। পাশে রয়েছে বিশাল পুকুর, যেখানে হরেক রকমের মাছ চাষ হচ্ছে।

তার পাশেই খেজুর গাছের পাতা দিয়ে তৈরি করা হয়েছে সুন্দর একটি ঝুপড়ি ঘর। যেখানে দুটি চুলা ও পাশে রাখা থাকে লাকড়ি। মূলত এখানে যারা শীতকালীন পিকনিক করতে আসে তাদের জন্যই এ সুব্যবস্থা। শীতের মৌসুমে মনোমুগ্ধকর পরিবেশে সময় কাটাতে ও শীতকালীন পিকনিক করতে সিরিয়াল দিয়ে আসতে হয় তার এই খেজুর বাগানে।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, খেজুর বাগানটি বেশ পরিপাটি। চারপাশে সারিবদ্ধভাবে গাছগুলো লাগানো হয়েছে। গাছগুলোর চারপাশে চাষ দিয়ে বালুময় করে রাখা হয়েছে। যেন মনে হয় একটুকরো আরব। এদিন স্কুল-কলেজের কয়েকজন শিক্ষক ও এলাকার বেশ কিছু যুবক এসেছেন। তারা কেউ রান্না করছেন, কেউ ফুটবল খেলছেন, কেউ বাগানটি ঘুরে দেখছেন, কেউ কেউ ছবি তুলছেন, আর কেউ বসে বসে আড্ডা দিচ্ছেন।

মূলত আরো কয়েকদিন আগে তারা সৈয়দকে কল করে সিরিয়াল নিয়েই এখানে পিকনিক করতে এসেছেন। আরেকটু সামনে যেতেই চোখে পড়ে সৈয়দের রস সংগ্রহের ব্যস্ত সময় পার করার দৃশ্য।