শনিবার, ২৫ মে ২০২৪, ১০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

নিম্নমানের ইটের খোয়ায় চলছে রাস্তার নির্মাণ কাজ

 

মানিকগঞ্জের সিংগাইরে নিম্নমানের ইটের খোয়া ব্যবহার করে রাস্তার পুন:নির্মাণ কাজ চলছে এমন অভিযোগ করেছেন এলাকাবাসী।

 

উপজেলার জামশা ইউনিয়নের আব্দুল ফকিরের বাড়ি হইতে বলধারা ইউনিয়নের বড় কালিয়াকৈর (বাঙ্গালা) বাজার পর্যন্ত ৪ কিলোমিটার কাজ চলছে পুরুদমে। এতে নাম্বারবিহীন ইটের খোয়া ব্যবহার করে দ্রুতগতিতে কাজ শেষ করার চেষ্টা করছে  ঠিকাদার আবু সাঈদ। ঠিকাদার প্রভাবশালী হওয়ায় এলাকাবাসী বাধা দিলেও কোন কাজ হচ্ছে না।

 

 

 

জামশা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি মো.শহিদ মিয়া, জামশা এলাকার গোলাই মহল্লার মানিক, শরিফুল ইসলাম ও মোহাম্মদ আলী অভিযোগ করে বলেন, নিম্নমানের ইটের খোয়া (রাবিস) দিয়ে রাস্তার কাজ করছে। এতে অল্পদিনের মধ্যে রাস্তা নষ্ট হয়ে যাবে। আমাদের আগের মত ভোগান্তিতে পরতে হবে। আমরা বাধা দিলেও কোন কাজ হচ্ছে না। তাই আপনাদের মাধ্যমে প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।

 

রোববার বিকেলে সরেজমিন ঘুরে এর সত্যতা পাওয়া যায়। এ সময় রাস্তা তদারকি করার কাউকে দেখা যায়নি।

 

এ ব্যাপারে ঠিকাদার আবু সাঈদ বলেন, আমি তো এক নাম্বার ইট ক্রয় করেছি। যদি নিম্নমানের হয় সরিয়ে ফেলবো।

 

এ কাজের দেখাশুনার দায়িত্বে থাকা উপজেলা ইঞ্জিনিয়ার অফিসের সার্ভেয়ার মো.আব্দুল মালেক রাস্তার কাজে নিম্নমানের খোয়া ব্যবহারের সত্যতা স্বীকার করে বলেন, আমরা ঠিকাদারকে দ্রুত খোয়া সরিয়ে নেয়ার নির্দেশ দিয়েছি।

 

উপজেলা প্রকৌশলী মো.ইসমাইল হোসেন জানান, নিম্নমানের খোয়া সরিয়ে নেয়ার নির্দেশ দিয়েছি। তিনি আরো বলেন, খোয়া না সরালে ঠিকাদারের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

 

কালের চিঠি/শর্মিলী

Tag :

নিম্নমানের ইটের খোয়ায় চলছে রাস্তার নির্মাণ কাজ

Update Time : ০৬:১৫:৫১ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৯ জানুয়ারী ২০২৪

 

মানিকগঞ্জের সিংগাইরে নিম্নমানের ইটের খোয়া ব্যবহার করে রাস্তার পুন:নির্মাণ কাজ চলছে এমন অভিযোগ করেছেন এলাকাবাসী।

 

উপজেলার জামশা ইউনিয়নের আব্দুল ফকিরের বাড়ি হইতে বলধারা ইউনিয়নের বড় কালিয়াকৈর (বাঙ্গালা) বাজার পর্যন্ত ৪ কিলোমিটার কাজ চলছে পুরুদমে। এতে নাম্বারবিহীন ইটের খোয়া ব্যবহার করে দ্রুতগতিতে কাজ শেষ করার চেষ্টা করছে  ঠিকাদার আবু সাঈদ। ঠিকাদার প্রভাবশালী হওয়ায় এলাকাবাসী বাধা দিলেও কোন কাজ হচ্ছে না।

 

 

 

জামশা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি মো.শহিদ মিয়া, জামশা এলাকার গোলাই মহল্লার মানিক, শরিফুল ইসলাম ও মোহাম্মদ আলী অভিযোগ করে বলেন, নিম্নমানের ইটের খোয়া (রাবিস) দিয়ে রাস্তার কাজ করছে। এতে অল্পদিনের মধ্যে রাস্তা নষ্ট হয়ে যাবে। আমাদের আগের মত ভোগান্তিতে পরতে হবে। আমরা বাধা দিলেও কোন কাজ হচ্ছে না। তাই আপনাদের মাধ্যমে প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।

 

রোববার বিকেলে সরেজমিন ঘুরে এর সত্যতা পাওয়া যায়। এ সময় রাস্তা তদারকি করার কাউকে দেখা যায়নি।

 

এ ব্যাপারে ঠিকাদার আবু সাঈদ বলেন, আমি তো এক নাম্বার ইট ক্রয় করেছি। যদি নিম্নমানের হয় সরিয়ে ফেলবো।

 

এ কাজের দেখাশুনার দায়িত্বে থাকা উপজেলা ইঞ্জিনিয়ার অফিসের সার্ভেয়ার মো.আব্দুল মালেক রাস্তার কাজে নিম্নমানের খোয়া ব্যবহারের সত্যতা স্বীকার করে বলেন, আমরা ঠিকাদারকে দ্রুত খোয়া সরিয়ে নেয়ার নির্দেশ দিয়েছি।

 

উপজেলা প্রকৌশলী মো.ইসমাইল হোসেন জানান, নিম্নমানের খোয়া সরিয়ে নেয়ার নির্দেশ দিয়েছি। তিনি আরো বলেন, খোয়া না সরালে ঠিকাদারের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

 

কালের চিঠি/শর্মিলী