রবিবার, ১৬ জুন ২০২৪, ১ আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

গাইবান্ধার ৫ টি সংসদীয় আসনের সর্বোচ্চ ভোট কাস্ট গাইবান্ধা -৪ আসনে সর্বনিম্ন গাইবান্ধা -৩ আসনে

ভোট গণনার ছবিটি  তুলেছেন, ফটোসাংবাদিক: কুদ্দুস আলম।

দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনে গাইবান্ধার ৫ টি সংসদীয় আসনে মোট ভোটার সংখ্যা ছিল ২০ লাখ ৫২ হাজার ৬৯৮ এর মধ্যে গত ৭ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত সংসদ নির্বাচনে মোট প্রদত্ত ভোটের সংখ্যা ছিল ৭ লাখ ৮১ হাজার ৫৭ টি । এরমধ্যে বাতিলকৃত ভোটের সংখ্যা ১৪ হাজার ৪ শত ৪ টি ।

 

শতকরা হিসেবে গাইবান্ধা – ১ আসনে প্রদত্ত ভোটের শতকরা হার ২৯দশমিক ৫৩ শতাংশ ।গাইবান্ধা -২ আসনে ৩৩ দশমিক ৫২ শতাংশ। গাইবান্ধা -৩ আসনে ২৬ দশমিক ১৬ শতাংশ, গাইবান্ধা -৪ আসনে ৫৪.১২ শতাংশ , গাইবান্ধা – ৫ আসনে ৪৮ দশমিক ১০ শতাংশ ।

 

গত ৭ জানুয়ারি দিবাগত রাত দেড়টার দিকে গাইবান্ধা জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় থেকে প্রকাশিত ফলাফল বিশ্লেষনে দেখা যায় , গাইবান্ধা -১(সুন্দরগঞ্জ) আসনে নাহিদ নিগার সাগর ৬৬০৪৯ টি ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন।অন্যদিকে তার নিকটতম জাতীয় পার্টির লাঙ্গল প্রতীকের প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী ব্যারিস্টার শামীম হায়দার পাটোয়ারী পেয়েছে ৪৩৪৯১ টি ভোট। এছাড়া ছড়ি প্রতীক নিয়ে খন্দকার রবিউল ইসলাম পেয়েছে ১২০ ভোট, আম প্রতীকের মর্জিনা খান পেয়েছে ২৭০ ভোট , হাতঘড়ি প্রতীকের আইরিন আক্তার পেয়েছে ১৯২ ভোট , গামছা প্রতীকের প্রার্থী আবু বক্কর সিদ্দিক ভোট পেয়েছে ৭৬৪, টেলিভিশন প্রতীকের প্রার্থী ওমর ফারুক সিজার ৬৬ ভোট, মশাল প্রতীকের প্রার্থী গোলাম আহসান হাবীব মাসুদ ২৪৩১ টি ভোট, ট্রাক প্রতীকের জয়নাল আবেদীন পেয়েছে ৩২৩ টি ভোট, ডাব প্রতীকের ফখরুল হাসান পেয়েছে ৮২৪ টি ভোট।

 

গাইবান্ধা -২ ( সদর) আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে ৬৪১৯০ টি ভোট পেয়ে বেসরকারি ভাবে নির্বাচিত হয়েছেন শাহ্ সারোয়ার কবীর । অন্যদিকে তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী মহাজোট সমর্থিত লাঙ্গল প্রতীকের প্রার্থী আব্দুর রশীদ সরকার পেয়েছে ৬১০৩৭ টি ভোট।

এছাড়া স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে আম প্রতীকের জিয়া জামান খান ভোট পেয়েছে ১৯৪ টি , ঈগল প্রতীকের মাসুমা আক্তার পেয়েছে ১৬৯ , জাসদ সমর্থিত মশাল প্রতীকের গোলাম মারুফ মনা পেয়েছে ৫১০ টি ভোট।

 

 

 

 

গাইবান্ধা -৩( পলাশবাড়ী – সাদুল্লাপুর ) আসনে নৌকার প্রার্থী অ্যাড. উম্মে কুলসুম স্মৃতি ৫৭১১৫ টি ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী ঈগল প্রতীকের প্রার্থী মেজর (অব) মফিজুল হক সরকার পেয়েছে ২৬৩২৮ টি । এছাড়া স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে আবু জাফর মোঃ জাহিদ কেটলি প্রতীক পেয়েছেন ৫৪৯ টি , জাসদ সমর্থিত মশাল প্রতীকের প্রার্থী এস এম খাদেমুল ইসলাম খুদি পেয়েছে ৭১৬৭ ভোট, জাতীয় পার্টির লাঙ্গল প্রতীকের প্রার্থী মাইনুর রাব্বি চৌধুরী ৭৪৬৫ ভোট, আজিজার রহমান ঢেকি প্রতীকের প্রার্থী হিসেবে ভোট পেয়েছে ১৬১৮৯ টি । আম প্রতীকের এনপিপির প্রার্থী জাহাঙ্গীর আলম ভোট পেয়েছে ১৫০ টি , নোঙর প্রতীকের বিএনএম প্রার্থী মঞ্জুরুল হক পেয়েছে ২২৫ ভোট, বাংলাদেশ কল্যাণ পার্টির প্রার্থী মাহমুদুল হক হাতঘড়ি প্রতীক নিয়ে ভোট পেয়েছে ২১৮৩ টি ,কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের প্রার্থী মোস্তফা মনিরুজ্জামান গামছা প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ১৮৭ ভোট, সাহারিয়া খান বিপ্লব স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে ভোট পেয়েছে ৪১৯২ টি ।

 

 

 

গাইবান্ধা -৪ (গোবিন্দগঞ্জ )আসনে ২০১১৭১ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন নৌকার প্রার্থী আবুল কালাম আজাদ , তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র প্রার্থী মনোয়ার হোসেন চৌধুরী পেয়েছে ২৭৪৫০ টি ভোট । অন্যদিকে জাতীয় পার্টির লাঙ্গল প্রতীকের প্রার্থী কাজী মোঃ মশিউর রহমান পেয়েছে ৪৩০৮ ভোট ।

 

গাইবান্ধা -৫ ( সাঘাটা -ফুলছড়ি) আসনে নৌকা প্রার্থী মাহামুদ হাসান রিপন ৭৬৬০১ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছে অপরদিকে তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র প্রার্থী ফারজানা রাব্বি বুবলি পেয়েছে । জাতীয় পার্টির লাঙ্গল প্রতীকের প্রার্থী আতাউর রহমান পেয়েছে ৭০৯ ভোট, বিকল্প ধারার প্রার্থী জাহাঙ্গীর আলম কুলা প্রতীকে পেয়েছে ১০৪ ভোট, এনপিপির প্রার্থী ফারুক মিয়া আম প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ১৪৬ ভোট,স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে শামসুল আজাদ শীতল ঈগল প্রতীক নিয়ে পেয়েছে ১১০ ভোট ।

 

উল্লেখ্য ৭ জানুয়ারি সকাল ০৮.০০ থেকে বিকাল ০৪.০০ পর্যন্ত বিরতিহীন ভাবে জেলার ৫ টি আসনের ৬৪৬ টি ভোট কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। ভোটার উপস্থিতি অনেক কম থাকলেও কয়েকটি স্থানে বিচ্ছিন্ন কিছু ঘটনা ছাড়া সুষ্ঠুভাবে নির্বাচন সম্পন্ন হয়।

 

এদিকে নির্বাচনের ৮ জানুয়ারি নির্বাচনের পরের দিন সকল রকমের অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে জেলা শহরসহ উপজেলা শহরে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের টহল দিতে দেখা গেছে।

 

এ বিষয়ে গাইবান্ধা জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক কাজী নাহিদ রসুল জানান, গাইবান্ধা জেলায় দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে প্রশাসনিকভাবে আমরা খুবই তৎপর ছিলাম। ফলে কোনরকম বিশৃঙ্খলা ছাড়াই ভোটের ফলাফল প্রকাশ করতে পেরেছি । নির্বাচন পরবর্তী সময়ে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে সকল রকমের পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলেও তিনি জানান।

 

 

Tag :

গাইবান্ধার ৫ টি সংসদীয় আসনের সর্বোচ্চ ভোট কাস্ট গাইবান্ধা -৪ আসনে সর্বনিম্ন গাইবান্ধা -৩ আসনে

Update Time : ১১:৪৪:৩৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৮ জানুয়ারী ২০২৪

ভোট গণনার ছবিটি  তুলেছেন, ফটোসাংবাদিক: কুদ্দুস আলম।

দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনে গাইবান্ধার ৫ টি সংসদীয় আসনে মোট ভোটার সংখ্যা ছিল ২০ লাখ ৫২ হাজার ৬৯৮ এর মধ্যে গত ৭ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত সংসদ নির্বাচনে মোট প্রদত্ত ভোটের সংখ্যা ছিল ৭ লাখ ৮১ হাজার ৫৭ টি । এরমধ্যে বাতিলকৃত ভোটের সংখ্যা ১৪ হাজার ৪ শত ৪ টি ।

 

শতকরা হিসেবে গাইবান্ধা – ১ আসনে প্রদত্ত ভোটের শতকরা হার ২৯দশমিক ৫৩ শতাংশ ।গাইবান্ধা -২ আসনে ৩৩ দশমিক ৫২ শতাংশ। গাইবান্ধা -৩ আসনে ২৬ দশমিক ১৬ শতাংশ, গাইবান্ধা -৪ আসনে ৫৪.১২ শতাংশ , গাইবান্ধা – ৫ আসনে ৪৮ দশমিক ১০ শতাংশ ।

 

গত ৭ জানুয়ারি দিবাগত রাত দেড়টার দিকে গাইবান্ধা জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় থেকে প্রকাশিত ফলাফল বিশ্লেষনে দেখা যায় , গাইবান্ধা -১(সুন্দরগঞ্জ) আসনে নাহিদ নিগার সাগর ৬৬০৪৯ টি ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন।অন্যদিকে তার নিকটতম জাতীয় পার্টির লাঙ্গল প্রতীকের প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী ব্যারিস্টার শামীম হায়দার পাটোয়ারী পেয়েছে ৪৩৪৯১ টি ভোট। এছাড়া ছড়ি প্রতীক নিয়ে খন্দকার রবিউল ইসলাম পেয়েছে ১২০ ভোট, আম প্রতীকের মর্জিনা খান পেয়েছে ২৭০ ভোট , হাতঘড়ি প্রতীকের আইরিন আক্তার পেয়েছে ১৯২ ভোট , গামছা প্রতীকের প্রার্থী আবু বক্কর সিদ্দিক ভোট পেয়েছে ৭৬৪, টেলিভিশন প্রতীকের প্রার্থী ওমর ফারুক সিজার ৬৬ ভোট, মশাল প্রতীকের প্রার্থী গোলাম আহসান হাবীব মাসুদ ২৪৩১ টি ভোট, ট্রাক প্রতীকের জয়নাল আবেদীন পেয়েছে ৩২৩ টি ভোট, ডাব প্রতীকের ফখরুল হাসান পেয়েছে ৮২৪ টি ভোট।

 

গাইবান্ধা -২ ( সদর) আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে ৬৪১৯০ টি ভোট পেয়ে বেসরকারি ভাবে নির্বাচিত হয়েছেন শাহ্ সারোয়ার কবীর । অন্যদিকে তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী মহাজোট সমর্থিত লাঙ্গল প্রতীকের প্রার্থী আব্দুর রশীদ সরকার পেয়েছে ৬১০৩৭ টি ভোট।

এছাড়া স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে আম প্রতীকের জিয়া জামান খান ভোট পেয়েছে ১৯৪ টি , ঈগল প্রতীকের মাসুমা আক্তার পেয়েছে ১৬৯ , জাসদ সমর্থিত মশাল প্রতীকের গোলাম মারুফ মনা পেয়েছে ৫১০ টি ভোট।

 

 

 

 

গাইবান্ধা -৩( পলাশবাড়ী – সাদুল্লাপুর ) আসনে নৌকার প্রার্থী অ্যাড. উম্মে কুলসুম স্মৃতি ৫৭১১৫ টি ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী ঈগল প্রতীকের প্রার্থী মেজর (অব) মফিজুল হক সরকার পেয়েছে ২৬৩২৮ টি । এছাড়া স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে আবু জাফর মোঃ জাহিদ কেটলি প্রতীক পেয়েছেন ৫৪৯ টি , জাসদ সমর্থিত মশাল প্রতীকের প্রার্থী এস এম খাদেমুল ইসলাম খুদি পেয়েছে ৭১৬৭ ভোট, জাতীয় পার্টির লাঙ্গল প্রতীকের প্রার্থী মাইনুর রাব্বি চৌধুরী ৭৪৬৫ ভোট, আজিজার রহমান ঢেকি প্রতীকের প্রার্থী হিসেবে ভোট পেয়েছে ১৬১৮৯ টি । আম প্রতীকের এনপিপির প্রার্থী জাহাঙ্গীর আলম ভোট পেয়েছে ১৫০ টি , নোঙর প্রতীকের বিএনএম প্রার্থী মঞ্জুরুল হক পেয়েছে ২২৫ ভোট, বাংলাদেশ কল্যাণ পার্টির প্রার্থী মাহমুদুল হক হাতঘড়ি প্রতীক নিয়ে ভোট পেয়েছে ২১৮৩ টি ,কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের প্রার্থী মোস্তফা মনিরুজ্জামান গামছা প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ১৮৭ ভোট, সাহারিয়া খান বিপ্লব স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে ভোট পেয়েছে ৪১৯২ টি ।

 

 

 

গাইবান্ধা -৪ (গোবিন্দগঞ্জ )আসনে ২০১১৭১ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন নৌকার প্রার্থী আবুল কালাম আজাদ , তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র প্রার্থী মনোয়ার হোসেন চৌধুরী পেয়েছে ২৭৪৫০ টি ভোট । অন্যদিকে জাতীয় পার্টির লাঙ্গল প্রতীকের প্রার্থী কাজী মোঃ মশিউর রহমান পেয়েছে ৪৩০৮ ভোট ।

 

গাইবান্ধা -৫ ( সাঘাটা -ফুলছড়ি) আসনে নৌকা প্রার্থী মাহামুদ হাসান রিপন ৭৬৬০১ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছে অপরদিকে তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র প্রার্থী ফারজানা রাব্বি বুবলি পেয়েছে । জাতীয় পার্টির লাঙ্গল প্রতীকের প্রার্থী আতাউর রহমান পেয়েছে ৭০৯ ভোট, বিকল্প ধারার প্রার্থী জাহাঙ্গীর আলম কুলা প্রতীকে পেয়েছে ১০৪ ভোট, এনপিপির প্রার্থী ফারুক মিয়া আম প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ১৪৬ ভোট,স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে শামসুল আজাদ শীতল ঈগল প্রতীক নিয়ে পেয়েছে ১১০ ভোট ।

 

উল্লেখ্য ৭ জানুয়ারি সকাল ০৮.০০ থেকে বিকাল ০৪.০০ পর্যন্ত বিরতিহীন ভাবে জেলার ৫ টি আসনের ৬৪৬ টি ভোট কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। ভোটার উপস্থিতি অনেক কম থাকলেও কয়েকটি স্থানে বিচ্ছিন্ন কিছু ঘটনা ছাড়া সুষ্ঠুভাবে নির্বাচন সম্পন্ন হয়।

 

এদিকে নির্বাচনের ৮ জানুয়ারি নির্বাচনের পরের দিন সকল রকমের অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে জেলা শহরসহ উপজেলা শহরে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের টহল দিতে দেখা গেছে।

 

এ বিষয়ে গাইবান্ধা জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক কাজী নাহিদ রসুল জানান, গাইবান্ধা জেলায় দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে প্রশাসনিকভাবে আমরা খুবই তৎপর ছিলাম। ফলে কোনরকম বিশৃঙ্খলা ছাড়াই ভোটের ফলাফল প্রকাশ করতে পেরেছি । নির্বাচন পরবর্তী সময়ে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে সকল রকমের পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলেও তিনি জানান।